Saumitra Khan : 'রাজ্য সম্পাদক' পদে নেত্রীর নিয়োগ নিয়ে বিতর্কে সৌমিত্র খাঁ! বঙ্গ বিজেপির অন্তর্কলহ চরমে?

ফের বিতর্কের কেন্দ্র সৌমিত্র খাঁ

Saumitra Khan : যুব মোর্চার কর্মীদের একাংশের আক্রমণের মুখে পড়েন সৌমিত্র খাঁ(Saumitra Khan)। সূত্রের খবর সদ্য সংগঠনে আসা, অভিজ্ঞতা নেই এরকম কাউকে সরাসরি রাজ্য সম্পাদক কেন করা হল তা নিয়ে ক্ষোভ যুব মোর্চার রাজ্য নেতাদের বড় অংশের।

  • Share this:

    #কলকাতা : বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকেই একের পর এক দলীয় কোন্দলে জর্জরিত বঙ্গ বিজেপি। বেসুরে গাইছেন গেরুয়া শিবিরের একাধিক নেতা। এহেন পরিস্থিতিতে ফের শিরোনামে যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ (Saumitra Khan)। সূত্রের খবর, এক নেত্রীর নিয়োগ নিয়ে দলের অন্দরে তুমুল বিরোধিতার মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁকে।

    দিন দুয়েক আগে মৌমিতা সাহা নামের এক নেত্রীকে রাজ্য সম্পাদক নিয়োগ করেন সৌমিত্র খাঁ(Saumitra Khan)। তারপর বুধবার তাঁকে যুব মোর্চার অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত করার নির্দেশ দেন। আর নয়া নম্বর যোগ হতেই চরমে পৌঁছয় বিতর্ক। যুব মোর্চার কর্মীদের একাংশের আক্রমণের মুখে পড়েন সৌমিত্র খাঁ(Saumitra Khan)। সূত্রের খবর সদ্য সংগঠনে আসা, অভিজ্ঞতা নেই এরকম কাউকে সরাসরি রাজ্য সম্পাদক কেন করা হল তা নিয়ে ক্ষোভ যুব মোর্চার রাজ্য নেতাদের বড় অংশের।

    অভিযোগ, দলের সব রীতিনীতি ভেঙে মঞ্চ থেকে সৌমিত্র ঘোষণা করেছিলেন মৌমিতাকে জেলা থেকে সরাসরি রাজ্য কমিটিতে এনে সম্পাদক পদ দেওয়া হচ্ছে। বিজেপিতে এ ভাবে সাংগঠনিক নিয়োগের ঘোষণা হয় না। এই বিষয়ে যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ দাস বলেন, “এই রাজ্য সম্পাদক নিয়োগ নিয়ে আমাদের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি। দলের শীর্ষ নেতৃত্বও এই ব্যাপারে কিছু জানে না। এটা সৌমিত্রবাবুর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।”

    উল্লেখ্য, চলতি মাসে ৭ তারিখ, বহু জল্পনার পর যুব মোর্চার সভাপতির পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন সৌমিত্র খাঁ। তবে তার আগে ফেসবুক (Facebook) লাইভে তিনি ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে। বলেছিলেন, “বিরোধী দলনেতা নিজেকে বিরাট করে জাহির করছেন। যখন উনি তৃণমূলে ছিলেন, তখনও নিজেকে বিশাল কিছু মনে করতেন। মনে হচ্ছে, দলে শুধু ওঁরই অবদান রয়েছে। আমাদের কোনও ত্যাগ নেই। নতুন নেতা হঠাৎ করে এসে যেভাবে দিল্লির নেতাদের ভুল বোঝাচ্ছেন, তাতে গোটা দল একটা জেলার মধ্যে চলে আসছে।”

    এসবের জেরে তাঁর 'বেসুরো' হওয়ার জল্পনা আরও জোরালো হয়। কিন্তু কয়েকঘণ্টার মধ্যেই যাবতীয় গুঞ্জন উড়িয়ে সৌমিত্র জানিয়ে দেন, ইস্তফার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেন। শুধু তাই নয় এরপরে তাঁর শুভেন্দু অধিকারী ও দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মন্তব্যের জন্য ক্ষমাপ্রার্থীও হন সৌমিত্র। যদিও সূত্রের খবর অমিত শাহের নির্দেশেই 'ভুলে'র জন্য ক্ষমা চাওয়ার পথে হাঁটতে কার্যত বাধ্য হন সৌমিত্র খাঁ।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: