corona virus btn
corona virus btn
Loading

নিয়মিত স্যানিটাইজ করা হচ্ছে না বর্ধমান আদালত চত্বর, উদ্বেগে আইনজীবীরা

নিয়মিত স্যানিটাইজ করা হচ্ছে না বর্ধমান আদালত চত্বর, উদ্বেগে আইনজীবীরা

আদালতের ভিড়ে অনেক সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকছে না। তার ফলে যে কোনও সময় তাঁরাও আক্রান্ত হতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন আদালতের কর্মী ও আইনজীবীরা ।

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: নিয়মিত স্যানিটাইজ করা হচ্ছে না বর্ধমান আদালত চত্বর। ফলে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় আতঙ্কিত বর্ধমান আদালতের আইনজীবীরা। আদালতের ভিড়ে অনেক সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকছে না। তার ফলে যে কোনও সময় তাঁরাও আক্রান্ত হতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন আদালতের কর্মীরা। তাঁরা বলছেন, নিয়মিত আদালত চত্বর জীবাণুমুক্ত করা হলে তবু করোনা সংক্রমণ থেকে রেহাই মিলতে পারে। কিন্তু সে কাজ হচ্ছে না বলেই আমরা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছি।

লকডাউন পর্ব কাটিয়ে গত সপ্তাহ থেকে পুরোপুরিভাবে চালু হয়ে গিয়েছে আদালত। করোনা সংক্রমণের সতর্কতা হিসেবে আদালত চত্বরে সকলের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মাস্ক ছাড়া কাউকেই আদালত চত্বরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। মাস্ক না থাকলে আদালতের গেট থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তাতেও নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না আইনজীবী ও আদালতের কর্মচারীরা। তাঁরা বলছেন, আদালতে ফিজিক্যাল হিয়ারিং শুরু হয়ে গিয়েছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাসিন্দারা আসছেন। তাই কে যে কোন এলাকা থেকে আসছেন, তাঁদের শরীরে করোনার সংক্রমণ রয়েছে কিনা সেসব বোঝার কোনও উপায় নাই। এ ভাবেই বিচারপ্রার্থীদের কোনও একজনের শরীর থেকে করোনার সংক্রমণ গোটা আদালত চত্বরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই উদ্বেগের মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে।

আইনজীবীরা বলছেন, বিভিন্ন থানা থেকে বিভিন্ন ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের আদালতে উপস্থিত করা হচ্ছে। জেল হেফাজতে থাকা অভিযুক্তদের একই গাড়িতে একসঙ্গে আদালত চত্বরে নিয়ে আসা হচ্ছে। সবমিলিয়ে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তাই প্রতিদিন আদালত চত্বর স্যানিটাইজ করা প্রয়োজন। কিন্তু নিয়মিত সে কাজ হচ্ছে না। লকডাউনের সময় বিভিন্ন থানা, প্রশাসনিক অফিস, হাসপাতাল নিয়মিত স্যানিটাইজ করছিল দমকল দফতর। আদালতের মত গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল এলাকাতে প্রতিদিন নিয়মিত স্যানিটাইজ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তাঁরা।

আইনজীবীরা বলছেন, একজনের শরীরে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়লে পুরো আদালত বন্ধ করে দিতে হতে পারে। কারণ অল্প জায়গার মধ্যে পাশাপাশি বসে অনেক আইনজীবীকে কাজ করতে হয়। তাই করোনায় কেউ আক্রান্ত হলে সংক্রমণের সম্ভাবনা থেকেই যাবে। লকডাউনে আদালত বন্ধ থাকায় এমনিতেই অনেক বিচার প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছে। আবারও আদালত অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেলে বহু মামলার নিষ্পত্তি আটকে যাবে। তাই আদালত স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের উচিত নিয়মিত আদালত চত্বর জীবানুমুক্ত করার ব্যবস্থা করা।

Published by: Simli Raha
First published: June 30, 2020, 4:45 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर