• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • ড্রোনের মতো অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে চলছে সিঙ্গুরে জমি পরিমাপ

ড্রোনের মতো অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে চলছে সিঙ্গুরে জমি পরিমাপ

 সিঙ্গুরের প্রকল্প এলাকার জমি চাষীদের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে এলাহি আয়োজন রাজ্যের। ড্রোনের মাধ্যমে হাজার একরের ছবি তুলে তৈরি হচ্ছে স্যাটেলাইট ম্যাপিং।

সিঙ্গুরের প্রকল্প এলাকার জমি চাষীদের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে এলাহি আয়োজন রাজ্যের। ড্রোনের মাধ্যমে হাজার একরের ছবি তুলে তৈরি হচ্ছে স্যাটেলাইট ম্যাপিং।

সিঙ্গুরের প্রকল্প এলাকার জমি চাষীদের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে এলাহি আয়োজন রাজ্যের। ড্রোনের মাধ্যমে হাজার একরের ছবি তুলে তৈরি হচ্ছে স্যাটেলাইট ম্যাপিং।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #সিঙ্গুর: সিঙ্গুরের প্রকল্প এলাকার জমি চাষীদের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে এলাহি আয়োজন রাজ্যের। ড্রোনের মাধ্যমে হাজার একরের ছবি তুলে তৈরি হচ্ছে স্যাটেলাইট ম্যাপিং। জঙ্গল পরিস্কারে নামানো হয়েছে হার্ভেস্টার ও গ্র্যাস কাটার। দ্বিতীয় দিনের কাজ খতিয়ে দেখতে শনিবারই সিঙ্গুরে যান পার্থ চট্টোপাধ্যায়। হাজির ছিলেন স্থানীয় দুই বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য ও বেচারাম মান্না। বিদেশ সফরে থেকেও খোঁজখবর নিচ্ছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রীও।

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ পেতেই সিঙ্গুরে জমি ফেরাতে তৎপর রাজ্য সরকার। কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে ভূমি ও ভূমি রাজস্ব, বিদ্যুৎ সহ একাধিক দফতর। শশব্যস্ত প্রশাসনিত আধিকারিকরাও। জমির মানচিত্র প্রশাসনের হাতে থাকলেও পেশাদার সংস্থাকে দিয়ে চলছে ওই এলাকার স্যাটেলাইট ম্যাপিংয়ের কাজ। ড্রোনের মাধ্যমে প্রকল্প এলাকার মানচিত্র হাতের মুঠোয় পুরতে চাইছে প্রশাসন।

    পড়ুন

    ১০ বছর পর খুলল ফটক, সাপের আতঙ্কে ভীত মজুরেররা

    কেন ড্রোনের ব্যবহার? ড্রোনের মাধ্যমে ওই এলাকার এরিয়াল ভিউ পাওয়া যাবে। ফলে ম্যাপ তৈরি সহজ হবে। সেই সঙ্গে জঙ্গল পরিষ্কারও সহজ হবে। সোমবারের মধ্যে স্যাটিলাইট ম্যাপিংয়ের কাজ শেষ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। আগাছা পরিষ্কার করতে এছাড়া ১৫টি হার্ভেস্টার ও ৫০টিরও বেশি গ্র্যাস কাটার নামানো হয়েছে।

    কাজে নেমেছে কলকাতা পুরসভার উদ্যান বিভাগ ও সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট বিভাগ। রবিবার থেকে শুরু হবে শেড খোলার কাজ। সেজন্য ইতিমধ্যেই নিয়ে আসা হয়েছে জেসিবি। শনিবার, কাজ খতিয়ে দেখতে যান পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

    মিশন সিঙ্গুর দ্রুত শেষ করতে, সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে রাজ্য সরকার। শনিবার, দশ বছর আগে প্রকল্প এলাকায় বসানো দুটি সাবস্টেশন কী অবস্থায় রয়েছে তা খতিয়ে দেখেন বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা। উদয়াস্ত পরিশ্রম করে জমিকে চাষযোগ্য করে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছেন রাজ্যের একাধিক দফতরের আধিকারিক ও কর্মীরা।

    First published: