corona virus btn
corona virus btn
Loading

অপেক্ষার অবসান, খুলে গেল বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দির, দর্শন হল সুসজ্জিতা মাতৃ প্রতিমার

অপেক্ষার অবসান, খুলে গেল বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দির, দর্শন হল সুসজ্জিতা মাতৃ প্রতিমার

দেখে নিন মাতৃ প্রতিমার নয়নাভিরাম মূর্তি

  • Share this:

#বর্ধমান: প্রায় তিন মাস পর আজ সোমবার ভক্তদের জন্য খুলে গেল বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দির। লকডাউনের জেরে  মার্চ মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ভক্তদের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দির। মন্দির খোলার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন অগণিত ভক্ত। স্থানীয় অনেকেই মাতৃদর্শনের পর কাজ শুরু করেন। তাঁদের অনেকেই মন্দির খোলার অপেক্ষায় দিন গুনছিলেন। সোমবার সকাল থেকেই ভক্তদের পুজো দেওয়ার জন্য মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হয়। তবে এখন নিত্যভোগ থেকে বঞ্চিত থাকতে হবে ভক্তদের।

মন্দির খুললেও করোনার সংক্রমণ রুখতে সতর্ক মন্দির কর্তৃপক্ষ। সেজন্য করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ভক্তদের জন্য বেশ কিছু বিধিনিষেধ বজায় থাকছে। মুখে মাস্ক না থাকলে মন্দিরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। মন্দিরের গেটে রয়েছে স্যানিটাইজার। তাতে হাত পরিষ্কার করে তবেই মন্দিরে ঢোকার অনুমতি মিলছে। তবে এক সঙ্গে সকলেই মন্দিরে ঢুকতে পারছেন না।  দশ জন করে ভক্তকে মন্দিরে ঢোকানো হচ্ছে। তাদের পুজো শেষ হলে তবেই পরবর্তী ভক্তরা মন্দিরে ঢুকতে পারবেন। তবে সোমবার প্রথম দিনে ভক্তদের তেমন ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি।

পুরোহিতরা বলছেন, এখনও বাস চলাচল তেমন স্বাভাবিক হয়নি। তাই দূরের ভক্তরা আসতে পারছেন না। অনেকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রেহাই পেতে আপাতত ঘরেই থাকছেন। সেসবের জন্যই ভিড় কম। ধীরে ধীরে দর্শনার্থীদের সংখ্যা বাড়বে।

বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলাকে রাঢ়বঙ্গের দেবী বলা হয়। বিয়ে, উপনয়ন সহ নানান সামাজিক অনুষ্ঠানে শুধু পূর্ব বর্ধমান জেলার বাসিন্দারাই নন, আশপাশের পশ্চিম বর্ধমান হুগলি বাঁকুড়া জেলার বাসিন্দারাও মঙ্গল কামনায় এই মন্দিরে পুজো দেন। বিপত্তারিণী পুজোয় এই মন্দিরে ভক্তদের ভিড় উপছে পড়ে। কয়েক লক্ষ ভক্তের সমাগম হয়। সেই ভিড় এড়াতে এবার বিপত্তারিণী পুজোর দুদিন মন্দির ভক্তদের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মন্দিরকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু দোকান গড়ে উঠেছে। মন্দির খোলা খুশি সেই সব ছোট ব্যবসায়ীরাও। মন্দির বন্ধ থাকায় একরকম রোজগারহীন হয়ে পড়েছিলেন পুরোহিতরাও। সর্বমঙ্গলা মন্দির ট্রাস্টি বোর্ডের সম্পাদক সঞ্জয় ঘোষ  জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ভোগ বিতরণ বন্ধ থাকবে। সকলকে মাস্ক পরে আসতে অনুরোধ করা হচ্ছে। এছাড়াও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হচ্ছে।

Saradindu Ghosh

Published by: Debalina Datta
First published: June 15, 2020, 4:15 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर