corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে শুনশান জাতীয় সড়ক, শক্তিগড়ে সারি বাঁধা ল্যাংচার দোকানের ঝাঁপ বন্ধ

লকডাউনে শুনশান জাতীয় সড়ক, শক্তিগড়ে সারি বাঁধা ল্যাংচার দোকানের ঝাঁপ বন্ধ

খদ্দের নেই, শাটার বন্ধ শক্তিগড়ের ল্যাংচার দোকানের

  • Share this:

#শক্তিগড়: ল‍্যাংচার পিঠস্থান শক্তিগড়! সারি সারি দোকানে দিন-রাত গিজগিজ করছে ভিড়, ক্রেতাদের লম্বা লাইন! ২নম্বর জাতীয় সড়ক পেরচ্ছেন, অথচ শক্তিগড়ে থামেননি ল্যাংচার জন্য, এমন বাঙালি দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হবে! কিন্তু লকডাউনে শুনশান শক্তিগড়। বন্ধ সার দিয়ে থাকা ল্যাংচার দোকান।

লকডাউনে মিষ্টির দোকান খোলায় ছাড় দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবুও দোকান খোলার ব্যাপারে কোনও ইচ্ছে নেই ল্যাংচা দোকানে মালিকদের। তাঁরা বলছেন, রাস্তায় লোক নেই। ল্যাংচার বিক্রি পুরোপুরি গাড়ি চলাচলের ওপর নির্ভরশীল। রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ। তাই খদ্দের হবে না ধরে নিয়েই দোকান খোলার কোনও ইচ্ছে দেখাননি ল্যাংচা বিক্রেতারা। কিছু কর্মী ও কারিগরদের তাঁরা আসতে নিষেধ করে দিয়েছেন, বাকিরা যান চলাচল না করায় এবং করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে আসতে চাননি। সব মিলিয়ে শুনশান শক্তিগড়ের ল্যাংচা হাব।

বর্ধমানে বড়শুলের কাছে আমড়া গ্রামে দু নম্বর জাতীয় সড়কের দু ধারে সার দিয়ে রয়েছে শক্তিগড়ের বিখ্যাত ল্যাংচার দোকান। জি টি রোড ধরে শক্তিগড় আরও কয়েক কিলোমিটার দূরে হলেও দুধারে ল্যাংচার দোকান দেখে এই এলাকাকে শক্তিগড় হিসেবেই চিনে নেন জেলার বাইরের বাসিন্দারা। শক্তিগড়ের ল্যাংচার বিক্রি মূলত জাতীয় সড়কে যান চলাচলের ওপর নির্ভরশীল। অনেক দূর পাল্লার যাত্রীবাহী বাস দাঁড়ায় ল্যাংচার দোকানগুলির সামনে। যাত্রীরা নেমে চা পান, জলযোগ সাড়েন। অনেকে ল্যাংচাও কেনেন। আবার অনেকে কলকাতা থেকে বর্ধমানের দিকে যাওয়ার পথে বা কলকাতা ফেরার পথে চারচাকা গাড়ি দাঁড় করিয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেন। ল্যাংচা কিনে নিয়ে যান তাঁদের অনেকেই। দিন রাতের সব সময় মূলত গাড়ির যাত্রীদের জন্যই খোলা থাকে ল্যাংচার দোকান।
এখন লকডাউনের জেরে বাস বা অন্যান্য যান চলাচল বন্ধ। শুনশান দু নম্বর জাতীয় সড়ক। মাঝেমধ্যে শুধু দ্রুতগতিতে ছুটে যাচ্ছে অ্যাম্বুল্যান্স। গাড়ি চলাচল নেই, তাই শাটার নামানো প্রতিটি ল্যাংচার দোকানে। মালিকরা বলছেন, 'জাতীয় সড়কের ওপর দোকান। দূরে দূরে লোকালয়। স্থানীয়দের  চাহিদা সামান্যই। কারিগর কর্মীদের ডাকলে হয়তো আসবে। ছানাও মিলবে। কিন্তু ক্রেতা? তাঁরাই যখন নেই, ল্যাংচা কিনবে কে ? তাই লকডাউন যতদিন চলবে ততদিনই বন্ধ থাকবে দোকান। উপার্জন বন্ধ।  লোকসান হচ্ছে। আরও বাড়বে। কিন্তু করার কিছু নেই।'
Published by: Rukmini Mazumder
First published: April 9, 2020, 8:16 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर