দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

কী কান্ড! ভক্তদের হাজার হাজার টাকা নিয়ে উধাও সাধুবাবা! চাঞ্চল্য...

কী কান্ড! ভক্তদের হাজার হাজার টাকা নিয়ে উধাও সাধুবাবা! চাঞ্চল্য...
প্রতীকী ছবি।

সাধুবাবার কীর্তিতে মাথায় হাত ভক্তদের। এলাকায় এসে বেশ কিছুদিন ঘাঁটি গেড়ে ছিলেন সাধু বাবা। এলাকার বাসিন্দাদের ভক্তি অর্জন করে তাদের হাজার হাজার টাকা আত্মসাৎ করে চম্পট দিয়েছেন তিনি।

  • Share this:

#পূর্বস্থলী: সাধুবাবার কীর্তিতে এখন মাথায় হাত পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী কাষ্ঠশালীর বাসিন্দাদের। এলাকায় এসে বেশ কিছুদিন ঘাঁটি গেড়ে ছিলেন সাধু বাবা। এলাকার বাসিন্দাদের ভক্তি অর্জন করে তাদের হাজার হাজার টাকা আত্মসাৎ করে চম্পট দিয়েছেন তিনি। এরপর টনক নড়েছে বাসিন্দাদের। ইতিমধ্যেই পূর্বস্থলী থানায় ওই সাধুর বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়েছে। সাধুবাবা হদিশ পেতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

পুলিশ ও এলাকার বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, দেড় মাস আগে এলাকায় এক সাধু আসেন। নিজেকে নবদ্বীপের একটি মঠের সন্ন্যাসী হিসেবে পরিচয় দেন। নাম জানান শম্ভুদাস মহারাজ। পুজোর মুখে বস্ত্র দান করবেন বলে জানিয়ে বাড়ি বাড়ি কুপন বিলি করেন। পাশাপাশি এলাকায় পুজো যজ্ঞ শুরু করেন তিনি। দিনে দিনে বাড়তে থাকে ভক্তের সংখ্যা। সংসারের মঙ্গল কামনায় পুজো করার কথা বলেন মহিলাদের। তার কথামতো মাটির ঘটে টাকা জমাতে শুরু করেন মহিলারা। এরপর ওই মহারাজ ভক্তদের বাড়িতে থাকতে শুরু করেন। তেমনই এক ভক্ত ধারদেনা করে, বাপের বাড়ি থেকে টাকা এনে ঘটে পঞ্চাশ হাজার টাকা জমা করেছিলেন।সেই টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছেন মহারাজ।

পূর্বস্থলী থানায় শম্ভুদাস মহারাজ নামে ওই সাধুর বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করা হলে বিষয়টি জানাজানি হয়। আরও অনেকের কাছ থেকেই এভাবেই মোটা টাকা নিয়ে সাধুবাবা গায়েব হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, বাড়ির মহিলাদের একান্তে টাকা জমা করার কথা বলেছিলেন ওই সাধু বাবা। সে কথা জানাজানি হলে সংসারের অমঙ্গল হবে বলে ভয় দেখান তিনি। পরিবারের মঙ্গল কামনায় সেই কথা অন্যান্যদের জানাননি মহিলারা। তাতেই ওই টাকা নিয়ে চম্পট দেওয়া অনেক সহজ হয়ে যায় সাধু বাবার পক্ষে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই সাধুবাবা সঠিক পরিচয় দিয়েছিলেন কিনা তা জানার চেষ্টা চলছে। গ্রামবাসীদের কাছ থেকে তার ছবি সংগ্রহ করা হচ্ছে। যে মঠের ঠিকানা দিয়েছিলেন প্রকৃতপক্ষে তিনি সেখানে থাকতেন কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার হদিশ পেতে আশেপাশে থানার সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে।

Saradindu Ghosh

Published by: Shubhagata Dey
First published: November 17, 2020, 4:04 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर