Home /News /south-bengal /
Local Bengali News: নদীর ধারে ভূত ছাড়াচ্ছেন সাধু, প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে অবৈধ ব্যবসা

Local Bengali News: নদীর ধারে ভূত ছাড়াচ্ছেন সাধু, প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে অবৈধ ব্যবসা

নিজস্ব চিত্র

নিজস্ব চিত্র

Local Bengali News: ময়ূরাক্ষী নদীর পাশে অবস্থিত বড়ঞাঁ থানার চৌতপুরের এই সন্ন্যাসীতলায় নাকি অশরীরী আত্মাদের পীঠস্থান।

  • Share this:

#বড়ঞাঁ: মুখে জুতো নিয়েই এ-প্রান্ত থেকে ও-প্রান্ত ঘুরে বেড়াচ্ছেন এক যুবক। আর তার সামনেই ঝাড়-ফুঁক করছেন এক প্রবীন ছদ্মবেশী সাধু। এমনই অবাক কাণ্ড ধরা পড়ল মুর্শিদাবাদের বড়ঞাঁ থানার চৌতপুর বেলতলা শ্মশানে। বছর ৩৫-এর রাজু দাসের শরীর থেকে একটি নয়, দু-দুটি অশরীরী আত্মা জুতো খাইয়ে তাড়িয়েছেন বলে দাবি করলেন ওই ওঝা। তার জন্য গুণে-গুণে টাকাও দিতে হয়েছে। প্রকাশ্যে, কোনও বাধা ছাড়াই এই বুজরুকি চলছে দিনের পর দিন।

আরও পড়ুন: করা হল সতর্ক, তবে কলকাতা হাই কোর্টে বড় স্বস্তি পেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

ময়ূরাক্ষী নদীর পাশে অবস্থিত বড়ঞাঁ থানার চৌতপুরের এই সন্ন্যাসীতলায় নাকি অশরীরী আত্মাদের পীঠস্থান। আর সেখানেই বসবাসকারী নানু সাধুর মন্ত্র পড়া জল ও মন্ত্রর জোর নাকি এতটাই যে, যে কোনও অশরীরী আত্মা তার সঙ্গে পেরে ওঠে না। কান্দির ভোলানাথপাড়ার বাসিন্দা বছর ৩৫-এর রাজু দাসের শরীরে নাকি একটি নয়, দু-দুটি অশরীরী আত্মা ভর করেছে। রানী সেখ ও সুস্মিতা রায় নামের দুই মৃত মহিলার আত্মা তার শরীরের প্রবেশ করার পর থেকেই পরিবার ও বাড়িতে ব্যাপক তাণ্ডবে অতিষ্ট হয়ে রাজুকে নিয়ে আসা হয়েছে ভূত তাড়াতে। আর তার সামনেই ঝাড়ফুক করছেন এক প্রবীন ছদ্মবেশী সাধু। ওই যুবক বিড়বিড় করে বলে চলেছে তার শরীরের মধ্যে নাকি দুটি আত্মা ভর করেছে। আর এইসব কান্ড কারখানা দেখতে ভিড় করেছে আশাপাশের গ্রামের বেশ কিছু মানুষজন। সাধুর সঙ্গে প্রেত্মাদের কথা হচ্ছে মাঝেমধ্যেই জলের ছিটা দিচ্ছে। গাছে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছে ওই সাধু। আর এইভাবেই ভূত তাড়ানোর ব্যবসা চলছে বড়ঞাঁতে।

আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ৮ বছর, অমিত শাহের কথায় ২০৪৭! কেন উঠল ২৫ বছর পরের কথা?

স্ত্রী পূজা দাস বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই আমার স্বামীর মধ্যে কিছু অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করি। মাঝেমধ্যেই ও জ্ঞান হারিয়ে বিড়বিড় করে কথা বলত। বাড়ির সমস্ত জিনিসপত্র ভাঙচুর করত, আমাদের মারধর করতে আসত। আমরা খুব চিন্তায় ছিলাম যে ওর কি হয়েছে। তবে আমাদের আত্মীয়রা বলছিল যে ওর শরীরে নাকি ভূত ঢুকেছে। আর তারপরেই এই সন্ন্যাসীতলার খোজ পেয়ে আমরা ওকে নিয়ে এখানে ছুটে আসি। ওই সাধু বাবা তার মন্ত্র বলে আমার স্বামীর শরীর থেকে ভূত তাড়িয়ে দিয়েছে। গ্রামবাসী বিকাশ মন্ডল বলেন, এই সন্ন্যাসীতলায় দীর্ঘদিন ধরে ওই সাধু বাবা ভূত তাড়ান। ওনার খুব মাহাত্ম্য। অনেক দূর দূরান্ত থেকে মানুষ আসে ভূত তাড়াতে। ২০২২ সালে দাঁড়িয়েও এইভাবেই কুসংস্কারের বেড়াজালে আবদ্ধ সাধারন মানুষ। রমরমিয়ে ভূত তাড়ানোর ব্যবসা চলছে বড়ঞাঁতে।

 Pranab Kumar Banerjee

Published by:Uddalak B
First published:

Tags: Local news

পরবর্তী খবর