মালদহে ভাঙন রোধের কাজে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সশরীরে হাজির প্রতিমন্ত্রী, তারপর...

পরীক্ষামূলকভাবে এবার বস্তা ফেলে নতুন পদ্ধতির প্রয়োগ করে দেখা হচ্ছে।

পরীক্ষামূলকভাবে এবার বস্তা ফেলে নতুন পদ্ধতির প্রয়োগ করে দেখা হচ্ছে।

  • Share this:

#মালদহ:  মালদহের ভূতনিতে গঙ্গার ভাঙন এলাকা পরিদর্শনে রাজ্যের সেচ প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে দুর্নীতির অভিযোগ এলাকাবাসীর। ভাঙন রোধের স্থায়ী কাজের দাবিতে সরব হলেন স্থানীয়রা। সেচ দফতরের কাজে দুর্নীতির সঙ্গে কোনোরকম আপোস করা হবে না, এলাকায় গিয়ে দফতরের আধিকারিকদের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর। এলাকায় কাজের মান নজরদারির জন্য পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির নেতৃত্বে কমিটি গঠন মন্ত্রীর।

তবে, মন্ত্রী এদিন  জানান, ভাঙন রোধের কাজে কিছু প্রযুক্তিগত পরিবর্তন করা হয়েছে। স্থানীয় মানুষ এতদিন বোল্ডার দিয়ে নদী ভাঙন রোধের কাজ দেখতে অভ্যস্ত। কিন্তু, বোল্ডার দিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে কোনও এক জায়গায় বোল্ডার সরে গিয়ে সমস্যা হচ্ছিল। তাই, পরীক্ষামূলকভাবে এবার বস্তা ফেলে নতুন পদ্ধতির প্রয়োগ করে দেখা হচ্ছে।

মালদহের ভুতনি চরে গঙ্গার সুখসেনা ঘাট এলাকায় প্রায় সাড়ে ছয় কোটি টাকা খরচ করে সাড়ে পাঁচশো মিটার এলাকায় ভাঙন রোধের কাজ চলছে। বর্ষার মুখে বালির বস্তা ফেলে ভাঙন রোধের এই কাজ টিকবে না বলে আশঙ্কা স্থানীয় মানুষের। শুধু তাই নয়, সরকারি শিডিউল মেনে কাজ হচ্ছে না বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের।   এই খবর জেনে সোমবার দফতরের ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে নিয়ে এলাকায় পরিদর্শনে যান রাজ্যের সেচ প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। তাঁকে কাছে পেয়ে নিজেদের সমস্যার কথা জানান এলাকার মানুষ। মন্ত্রী তাঁদের আশ্বস্ত করে জানান সরকারি সিডিউল মেনেই কাজ হবে।  নজরদারির জন্য কমিটি করার কথা এলাকায় গিয়ে প্রকাশ্যে ঘোষণা করেন মন্ত্রী। সেচ প্রতিমন্ত্রী এলাকা পরিদর্শনের পর কিছুটা আশ্বস্ত ভুতনি চরের মানুষ। এবার কাজের মান কিছুটা ভালো হতে পারে বলে আশা স্থানীয়দের। যদিও নদী ভাঙন রোধের এর  এই নতুন প্রযুক্তি কতটা টেকসই হবে তা নিয়ে এখনো দ্বিধায় নদী পারের মানুষ।

ভাঙন কবলিত এলাকায় দফতরের কাজ পরিদর্শনের পর সেচ প্রতিমন্ত্রী এদিন বলেন,  বিগত দিনে সেচ দফতরের অনেক দুর্নীতি হয়েছে। কোনরকম দুর্নীতি আর বরদাশ্ত করা হবে না। কাজ যাতে ভালো হয় তার তদারকির জন্য একটি কমিটিও করে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী এদিন আরো জানান, ভুতনির কোশিঘাট এলাকায় গঙ্গা নদী কিছু জায়গায় বাঁধের কাছাকাছি চলে এসেছে। সেখানেও জরুরি ভিত্তিতে বর্ষার আগেই কাজ হাতে নেওয়া হবে।

Sebak DebSarma

Published by:Debalina Datta
First published: