• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • ROUTE OF KAKDWIP TO KOLKATA TRASPORTATION CHANGED DUE TO LANDSLIDE IN 117 NATIONAL HIGHWAY RM

নদীগর্ভে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের একাংশ, ঘুরপথে কাকদ্বীপ-কলকাতা গাড়ি চলাচল

পিডব্লিউডি-র তরফে জানানো হয়েছে, রাস্তা সারাতে আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

পিডব্লিউডি-র তরফে জানানো হয়েছে, রাস্তা সারাতে আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

  • Share this:

    #ডায়মন্ড হারবার: নদীগর্ভে তলিয়ে গেল ব্যস্ততম জাতীয় সড়কের একাংশ। ডায়মন্ড হারবারে হুগলি নদীতে ভাঙনে জেটিঘাটের কাছে একশ সতেরো নম্বর জাতীয় সড়কে প্রায় পঞ্চাশ ফুট ধস। বকখালি, নামখানা, কাকদ্বীপ ও সাগরের মত বিস্তীর্ণ এলাকার সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগ ব্যাহত। কলকাতায় মাছ ও পানের ট্রাক আসে এই রাস্তা দিয়েই। সমস্যায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। রাস্তা সারাই শুরু করেছে পূর্ত দফতর।

    যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে রাস্তা সারাই। ঘুরপথে চলছে কাকদ্বীপ-কলকাতা গাড়ি চলাচল। পিডব্লিউডি-র তরফে জানানো হয়েছে, রাস্তা সারাতে আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

    বৃহস্পতিবার সকাল ছ’টা। রাস্তায় সেভাবে মানুষজন বেরোননি। আচমকা ডায়মন্ড হারবারে একশ সতেরো নম্বর জাতীয় সড়কের মাঝ বরাবর ফাটল দেখা যায়। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই হুড়মুড়িয়ে ধস। হুগলি নদীর ভাঙনে নদীগর্ভে তলিয়ে যায় জাতীয় সড়কের প্রায় পঞ্চাশ ফুট অংশ। জেটিঘাট লাগোয়া ওই রাস্তার পাশেই নদীর পাড় সৌন্দর্যায়নের কাজ চলছিল। সাংসদ তহবিলের পঁচিশ কোটি টাকায় সৌন্দর্যায়নের কাজ করছিল পর্যটন ও পূর্ত দফতর।

    বকখালি-নামখানা-কাকদ্বীপ-সাগর-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে কলকাতা যাতায়াতের মূল রাস্তা এটি। ধসের জেরে সেই যোগাযোগ ব্যাহত। প্রভাব পড়েছে জনজীবনে। রাস্তা বন্ধ হওয়ায় ক্ষতির মুখে মাছ ও সবজি ব্যবসায়ীরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় স্থানীয় প্রশাসন। ধসের অংশে ব্যারিকেড তৈরি করে দেওয়া হয়। বালি ও সিমেন্ট দিয়ে অস্থায়ীভাবে বাঁধ সারাই শুরু হয়। জোয়ারে নদীর জল বেড়ে ধস ক্রমে বাড়তে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই পৌঁছন বন্দর ও পূর্ত দফতরের ইঞ্জিনিয়ররা। যুদ্ধকালীন ত‍ৎপরতায় রাস্তা সারাইয়ের কাজ শুরু হয়।

    ডায়মন্ড হারবার পুরসভার ছয়, নয়, দশ, এগারো ও বারো নম্বর ওয়ার্ড এই রাস্তা লাগোয়া। রাস্তার প্রায় সত্তর থেকে আশি শতাংশ নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় এলাকায় জল ঢুকে যাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, দ্রুত গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক হবে। যদিও পরিস্থিতি কবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

    First published: