দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

ঝুলছে দোতলা পাকা বাড়ি! তলিয়ে গেছে জমি, নদী ভাঙ্গনে বদলে যাচ্ছে মানচিত্র

ঝুলছে দোতলা পাকা বাড়ি! তলিয়ে গেছে জমি, নদী ভাঙ্গনে বদলে যাচ্ছে মানচিত্র

প্রতিবছর নদী ভাঙ্গন হয় আর গঙ্গায় তলিয়ে যায় কৃষি জমি, বসত-বাটি, স্কুল, মন্দির, ব্যাঙ্ক সহ গোটা গ্রামটাই। প্রশাসনের চোখের সামনে সর্বস্বান্ত হয় সাধারণ মানুষ।

  • Share this:

#মালদা: তলিয়ে যাচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম। মুছে যাচ্ছে মানচিত্র থেকে। মুর্শিদাবাদ, মালদা, নদীয়ায় এমন ঘটনা ঘটছে অহরহ। বছরের-পর-বছর নদী ভাঙ্গনে এমনটা নতুন নয় গ্রাম বাংলার একাধিক জেলায়।

মালদার বৈষ্ণবনগরের কালিয়াচক ব্লকের কথাই ধরুন। নদী ভাঙ্গনে বিপর্যস্ত এখানকার মানুষ। গ্রামের পর গ্রাম, মৌজার পর মৌজা মুছে  যাচ্ছে মানচিত্র থেকে। নদীর ভাঙা-গড়ার খেলায় ত্রস্ত স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন জীবন। কালিয়াচক ৩ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত বীরনগর ১ নম্বর পঞ্চায়েত। গঙ্গার ভাঙ্গনে বীরনগর ১ নম্বর পঞ্চায়েতের চিনাবাজার, দুর্গারামটোলা, ভীমাগ্রামের অস্তিত্ব মুছে যাওয়ার মুখে।

প্রতিবছর নদী ভাঙ্গন হয় আর গঙ্গায় তলিয়ে যায় কৃষি জমি, বসত-বাটি, স্কুল, মন্দির, ব্যাঙ্ক সহ গোটা গ্রামটাই। প্রশাসনের চোখের সামনে সর্বস্বান্ত হয় সাধারণ মানুষ। ভিটে-মাটি কৃষি-জমি হারিয়ে পথে বসেন অসহায় মুখগুলো। এমনও অনেকে আছেন যারা তিন-চারবার ঠিকানা বদলের পরেও নিজেদের ভিটে-মাটি টিকিয়ে রাখতে পারেননি। গঙ্গার ভাঙন শুরু হয় আর চোখের সামনে নিমেষে তলিয়ে যায় সারা জীবনের উপার্জন, অবলম্বন।

বীরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের চিনাবাজার গ্রামেই চোখে পড়ছিল এমন এক ছবি। ঘন্টা দুয়েকের ভাঙ্গন আর তাতেই মুছে গেছে গ্রামের তিন-চতুর্থাংশ। পাকা বাড়ি, শতাব্দী পেরোনো বট গাছ, রক্ষা পায়নি কিছুই। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছিলেন, বছর তিনেক আগেও যে গঙ্গা ছিল গ্রাম থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে, এক রাতের  ভাঙ্গনে সেই গঙ্গা উঠে এসেছে বাড়ির উঠোনে। গিলে নিয়েছে বিঘার পর বিঘা জমি, বাড়ির পর বাড়ি।

বালি বোঝাই বস্তার অস্থায়ী বাঁধ বা বাইরে থেকে এনে ফেলা বোল্ডারে বাঁধ মানেনি নদী ভাঙ্গন। গিলে নিয়েছে রুটি-রুজি, ভিটে-মাটি। নিঃস্ব হয়ে মানুষগুলো আজ সর্বহারার মত আশ্রয় নিয়েছে ত্রাণ শিবিরে।

PARADIP GHOSH 
Published by: Pooja Basu
First published: September 20, 2020, 3:51 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर