• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • গ্রীষ্মে নালার মতো, বর্ষায় ভয়ঙ্কর নাব্যতাহীন খড়ি নদীর ভাঙন, আতঙ্কে দিন কাটছে বাসিন্দাদের

গ্রীষ্মে নালার মতো, বর্ষায় ভয়ঙ্কর নাব্যতাহীন খড়ি নদীর ভাঙন, আতঙ্কে দিন কাটছে বাসিন্দাদের

বাসিন্দারা বলছেন, খড়ি নদীর সংস্কার হওয়া জরুরি। নদীর গতিপথে জবরদখল রুখতে প্রশাসনিক তৎপরতা প্রয়োজন। সেই সঙ্গে নদীর নাব্যতা বাড়ানো প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

বাসিন্দারা বলছেন, খড়ি নদীর সংস্কার হওয়া জরুরি। নদীর গতিপথে জবরদখল রুখতে প্রশাসনিক তৎপরতা প্রয়োজন। সেই সঙ্গে নদীর নাব্যতা বাড়ানো প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

বাসিন্দারা বলছেন, খড়ি নদীর সংস্কার হওয়া জরুরি। নদীর গতিপথে জবরদখল রুখতে প্রশাসনিক তৎপরতা প্রয়োজন। সেই সঙ্গে নদীর নাব্যতা বাড়ানো প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে পাড় ভাঙছে খড়ি নদীর। এই ভাঙনে উদ্বিগ্ন গ্রামবাসীরা। নদীর গ্রাসে চলে যাচ্ছে কৃষি জমি। ইতিমধ্যেই ভাঙনে তলিয়ে গিয়েছে পারহাট গ্রামের শ্মশানে যাওয়ার রাস্তার বেশ কিছুটা অংশ। এখনই ভাঙন রোখার উদ্যোগ না নেওয়া গেলে শ্মশানে যাওয়ার উপায় থাকবে না বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার ব্লকের মাহাচান্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের পারহাট গ্রামের শ্মশানে যাওয়ার যে রাস্তাটি রয়েছে সেই রাস্তাটি খড়ি নদীর গর্ভে আস্তে আস্তে চলে যাচ্ছে। এ নিয়ে ভীষণ চিন্তিত গ্রামের মানুষজন। নদীর জল বাড়ার সময় কোনও গ্রামবাসীর মৃত্যু হলে ওই শ্মশান আর ব্যবহার করা যাবে না বলেই আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

এমনিতে বছরের অন্যান্য সময় খড়ি নদীতে সেভাবে জল থাকে না। সরু নালার মত পড়ে থাকে এই নদী। আর সে কারণেই বর্ষায় তা সমস্যার আরেক নাম হয়ে দাঁড়ায় বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা। তাঁরা বলছেন, অনেক জায়গাতেই খড়ি নদী দখল হয়ে গিয়েছে। নদীর গতিপথ পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। তার ফলেই বর্ষায় এই নদী দুকূল ছাপিয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করে। প্রতি বছরই খড়ি নদীর জলে বানভাসি হয় বিস্তীর্ণ এলাকা।

বাসিন্দারা বলছেন, খড়ি নদীর সংস্কার হওয়া জরুরি। নদীর গতিপথে জবরদখল রুখতে প্রশাসনিক তৎপরতা প্রয়োজন। সেই সঙ্গে নদীর নাব্যতা বাড়ানো প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। গভীরতা কমে যাওয়ায় বেশি বৃষ্টি হলেই এই নদী বিধ্বংসী হয়ে উঠছে। বেশ কিছু এলাকায় নদী ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। পারহাট গ্রামের বাসিন্দারা বলছেন, অবিলম্বে প্রশাসনের উদ্যোগে নদীর পাড় বাঁধানো জরুরি। নচেৎ রাস্তা পুরোটাই নদীগর্ভে চলে গিয়ে শ্মশান যাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। তাঁরা বলছেন, এই নদীর ওপর বেশ কয়েকটি কাঠের সাঁঁকো রয়েছেে। সেগুলোর অবস্থা খুব খারাপ।জল বাড়লে তার চাপে সেই সব সেতুগুলি ভেঙে পড়তে পারে। তখন যাতায়াতের ক্ষেত্রে খুবই সমস্যায় পড়বেন বাসিন্দারা।

Published by:Simli Raha
First published: