নভেম্বরেই জাঁকিয়ে শীত, খুশি বর্ধমানের বাসিন্দারা

নভেম্বরেই জাঁকিয়ে শীত, খুশি বর্ধমানের বাসিন্দারা
সকাল থেকেই শীতের আমেজ বর্ধমানে৷৷

এ দিন বর্ধমানের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।

  • Share this:

#বর্ধমান: জাঁকিয়ে শীত পড়ায় খুশি বর্ধমানের বাসিন্দারা। নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহের শুরু থেকেই তাপমাত্রা বেশ খানিকটা নেমে যাওয়ায় আনন্দিত সকলেই। শীত দীর্ঘস্থায়ী হোক চাইছেন বাসিন্দারা। ঠান্ডা আবহাওয়া দীর্ঘায়িত হলে আলু ও শীতকালীন সবজির ফলনও ভাল হবে বলে আশাবাদী কৃষকরা। বাজারে ইতিমধ্যেই নলেন গুড়ের রসগোল্লা এসে গিয়েছে। প্রয়োজন ছিল জাঁকিয়ে শীতের। সেই ঠান্ডা এখন ভালই অনুভূত হচ্ছে। শহরে প্রতি দিনের মতো প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিন সকালে বারে বারে গরম চা, কফিতে চুমুক দিয়ে শীত উপভোগ করেছেন অনেকেই।

এ দিন বর্ধমানের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, মেঘলা আবহাওয়ার কারণে সেভাবে ঠান্ডা পড়ছিল না। শনিবার ভোরে হালকা বৃষ্টির হাত ধরে আকাশ মেঘমুক্ত হয়। তারপর থেকেই উত্তরে হাওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। রবিবার সকালে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হয়েছে। সোমবার সকালে শীতের কনকনানি টের পাওয়া গিয়েছে। তবে চলতি সপ্তাহের পরের দিনগুলিতে ফের আকাশ মেঘে আংশিক ঢাকা থাকার সম্ভাবনা। তার ফলে তাপমাত্রা না নামার সম্ভাবনাই বেশি। সেক্ষেত্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরেই থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। মেঘ কেটে গেলে ফের শীতের আমেজ ভালভাবে অনুভব করা যাবে।

শীত পড়তেই চাহিদা বেড়েছে গরম পোশাকের। দোকানে বাজারে সেসব বস্ত্রের কেনাকাটা বেড়েছে। বাসিন্দারা বলছেন সপ্তাহ খানেক আগে দু' একদিন শীত অনুভূত হওয়ার পরই তা উধাও হয়ে গিয়েছিল। রবিবার থেকে ভালই শীত অনুভব করা যাচ্ছে। কৃষকরা বলছেন,জেলাজুড়ে এই মুহূর্তে অনেক এলাকাতেই জোর কদমে আলু চাষ শুরু হয়েছে। কুয়াশা মুক্ত পরিষ্কার আকাশ ও ঠান্ডা আবহাওয়া আলু চাষের পক্ষে অনুকূল। শীত দীর্ঘায়িত হলে আলুর ফলন ভাল হওয়ার সম্ভাবনা। শুধু আলু নয়, শীত থাকলে বেগুন, ফুুল কপি, বাঁঁধা কপি, সিম, টমেটো, সহ সব রকম শীতকালীন সবজির ফলন ভাল হবে।


Saradindu Ghosh

Published by:Debamoy Ghosh
First published:

লেটেস্ট খবর