Home /News /south-bengal /
Reserve Bank Of India: টাকা জমা ও তোলায় নিষেধাজ্ঞা, সিউড়ির ব্যাঙ্কের উপর আরবিআই-এর খাঁড়া

Reserve Bank Of India: টাকা জমা ও তোলায় নিষেধাজ্ঞা, সিউড়ির ব্যাঙ্কের উপর আরবিআই-এর খাঁড়া

Reserve Bank Of India: বীরভূমের এই ব্য়াঙ্ক থেকে গ্রাহকরা ৬ মাস টাকা তুলতে বা জমা দিতে পারবেন না।

  • Share this:

#সিউড়ি: বীরভূমের সিউড়ির একটি সমব্যায় ব্যাঙ্কের উপর আবারও সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি করল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। আগামী ছমাস ব্যাঙ্কে লেনদেন, নতুন করে ঋণ প্রদানে নিষেধাজ্ঞার নোটিস গ্রাহকদের উদ্দেশ্যে টাঙিয়ে দেয় দ্য ফ্রেন্ডস ইউনিয়ন কো-অপারেটিভ প্রাইভেট লিমিটেড।

১৯২৮ সালে হকার, ঠেলাওয়ালা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণ প্রদানের জন্য ফ্রেন্ডস ইউনিয়ন কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কটি গড়ে ওঠে সিউড়িতে। ১৯৮৭ সালে নথিভুক্ত করে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।

জেলায় এই ব্যাঙ্কটির একমাত্র শাখা সিউড়ি। এছাড়া আর কোনো শাখা নেই। যেহেতু ব্যাঙ্কের জমানো অর্থ ও ঋণের অনুপাতে কোনও সামঞ্জস্য নেই, তাই ২২শে জুলাই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়, পরবর্তী সমীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত আর্থিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে হবে।

আরও পড়ুন- প্রয়াত বীরভূমের 'এক টাকার ডাক্তার' পদ্মশ্রী সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়

কোনো গ্রাহক ৫০০০০ টাকার বেশি তুলতে পারবেন না। ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে নতুন কোনও ঋণ দেওয়া যাবে না। এই সকল নিষেধাজ্ঞা আগামী ছমাস জারি থাকবে ব্যাঙ্কে। কারণ এই মুহূর্তে ব্যাঙ্কের সিআইআরআই  মাইনাস ১৬-তে পৌঁছেছে।

একইভাবে ২০১৪ সালে আর্থিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। ব্যাঙ্ক থেকে জানা যায়, সেই সময় রাজ্য সরকারের থেকে প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা দেওয়ায় কিছুটা কমেছিল ঋণের বোঝা।

ব্যাঙ্ক ম্যানেজার চঞ্চল কবিরাজ জানান, "আশামতো ঋণ আদায় না হওয়ায় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এই নোটিস দিয়েছে। আগামী ছমাস আমরা বকেয়া ঋণ আদায়ে বিশেষ উদ্যোগী হব। তবে গ্রাহকদের অর্থ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।

আরও পড়ুন- ভরসা দিচ্ছে 'ভরসা', পিছিয়ে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে ক্লাসের সুযোগ

তিনি আরও বলেন, বীমা কোম্পানির হিসেব মতো তারা টাকা ফেরত পেয়ে যাবেন। আমাদের ব্যাঙ্কে আট হাজার গ্রাহক। তার মধ্যে প্রায় ২০০ জন ঋণদাতার সঠিক হদিস ব্যাঙ্কের কাছে নেই। বাকি অনাদায়ী শতাধিক ঋণগ্রাহকের বিরুদ্ধে মামলা করা আছে। এদিকে ব্যাঙ্কে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকার অনাদায়ী ঋণের বোঝা। তবে ২০১৯-২০ টার্থিক বছরে প্রায় ২৪ লক্ষ টাকা লোকসান হয়েছিলো । সেখানে লোকসানের পরিমান ১১ লক্ষ টাকা । তবে রাজ্য সরকার ৭০-৭৫ লক্ষ টাকা আর্থিক অনুদান আর্থিক অনুদান দিলেই ব্যাঙ্ক আবার লাভের মুখ দেখবে। আমরা রাজ্য সরকারের কাছে আর্থিক অনুদানের জন্য আবেদন জানিয়েছি । "

Published by:Suman Majumder
First published:

Tags: RBI, Reserve Bank of India, Siuri

পরবর্তী খবর