বেনামি লাল পোস্টারে ছয়লাপ বর্ধমান শহর, শোরগোল রাজনৈতিক মহলে

বেনামি লাল পোস্টারে ছয়লাপ বর্ধমান শহর, শোরগোল রাজনৈতিক মহলে
জেলায় পরিবর্তন যাত্রার রথ পরিক্রমা করার মাঝেই বর্ধমান শহর জুড়ে লাল রংয়ের পোস্টারকে কেন্দ্র করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।

জেলায় পরিবর্তন যাত্রার রথ পরিক্রমা করার মাঝেই বর্ধমান শহর জুড়ে লাল রংয়ের পোস্টারকে কেন্দ্র করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান:  জেলায় পরিবর্তন যাত্রার রথ পরিক্রমা করার মাঝেই বর্ধমান শহর জুড়ে লাল রংয়ের পোস্টারকে কেন্দ্র করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। ওই পোস্টারে লেখা হয়েছে, বিজেপিকে একটিও ভোট নয়। নো ভোট টু বিজেপি। নির্বাচনী প্রচারে জনসভা, পথসভার পাশাপাশি ব্যানার পোস্টার প্রচারের অন্যতম হাতিয়ার। সব দলই ব্যানার পোস্টারে দেওয়াল লিখনে তাদের বক্তব্য তুলে ধরে। ভোট যাতে অন্য দলে না যায় তার আবেদন থাকে। কিন্তু লাল রঙের এই পোস্টার কারা লাগালো গোল বেধেছে তা নিয়েই। কারণ লাল রঙের ওপর সাদায় লেখা এই পোস্টারে বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার ডাক দেওয়া হলেও তাতে কোনও দল বা সংগঠনের নাম নেই। তাই কারা এই পোস্টারে শহর ছয়লাপ করে দিয়েছে তা নিয়ে দেখা দিয়েছে বিতর্ক।বৃহস্পতিবার বর্ধমান শহরের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার ধারে এই পোস্টার দেখা গেছে। লাল রংয়ের সেই পোস্টারে বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা বিজেপিকে একটিও ভোট নয়। তার তলায় ছোট হরফে লেখা ফ্যাসিস্ট আরএসএস বিজেপির বিরুদ্ধে বাংলা। কিন্তু কাদের পক্ষ থেকে এই পোস্টার দেওয়া হল তা লেখা নাই। আর সে কারণেই শহর জুড়ে এই পোস্টটারকে ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।লাল রং থাকায় বামেরা এই পোস্টার দিয়েছে বলে ইঙ্গিত করছে বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ। যদিও পূর্ব বর্ধমান জেলার বাম নেতৃত্ব এই পোস্টার তাদের নয় বলে জানিয়েছে। বিজেপির বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভার কনভেনার কল্লোল নন্দন বলেন, যে কোনও দলই ব্যানার পোস্টারের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রচার করতে পারে। কিন্তু নাম না দিয়ে পোস্টার দেওয়াটা আইনবিরুদ্ধ। আমরা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি।


বিজেপি নেতা সুনীল গুপ্তা বলেন, গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে। মানুষ চাইছে বর্তমান সরকারের বদলে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার আসুক। সেই ভয়ে রাজ্যের শাসক দল রাতের অন্ধকারে এই কাজ করাচ্ছে। মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য এই ধরনের পোস্টার লাগিয়েছে তারা। লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল বুঝিয়ে দিয়েছে মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে আর নেই। তাতে ভয় পাচ্ছে শাসক দল।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, কারা কখন এই পোস্টার দিয়েছে তা আমরা জানিনা। তবে যে হারে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ছে, যেভাবে দেশজুড়ে সরকারি সম্পত্তি বেচে দেওয়া হচ্ছে তা দেখে এলাকার বাসিন্দারা ওই পোস্টার দিয়ে থাকতে পারে। এখানে বিজেপি আদি নব লড়াইয়ে দীর্ণ। তাদের সেই গোষ্ঠী কোন্দলের কারণেও এই পোস্টার পড়ে থাকতে পারে।

Saradindu Ghosh

Published by:Debalina Datta
First published: