বাজারে গেলেই প্লাস্টিকের প্যাকেট, চরম ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশের

প্লাস্টিকের বিপদ সারা বিশ্বকেই ভাবাচ্ছে। তারপরেও দোকানো দোকানে প্লাস্টিক প্যাকেটের ব্যবহার বন্ধ হচ্ছে কই!

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Sep 12, 2019 02:22 PM IST
বাজারে গেলেই প্লাস্টিকের প্যাকেট, চরম ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশের
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Sep 12, 2019 02:22 PM IST

#রায়গঞ্জ: দোকান থেকে কিছু কেনা মানেই তা ভরা হয় প্লাস্টিকের প্যাকেটে। এই প্লাস্টিক শরীর ও পরিবেশের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক। তা সত্ত্বেও প্লাস্টিক প্যাকেটের ব্যবহার কিন্তু বন্ধ হচ্ছে না।

বাজার থেকে যা যা কেনা হচ্ছে প্রায়ই সবই প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরে আনা হচ্ছে বাড়িতে। আর এই প্লাস্টিক প্যাকেটেই ঘরে ঘরে ঢুকছে বিপদ।

চিকিৎসক জয়ন্ত ভট্টাচার্য বললেন, ‘‘প্লাস্টিক ভয়ঙ্কর পর্যায়ে গেছে। পলিথিন থেকে প্লাস্টিক বানাতে কয়েকটি জিনিস যোগ করা হয়। সেগুলি গা থেকে গড়িয়ে পড়ে মানুষের শরীরে ঢোকে। জিনের সহ্গে জুড়ে যেতে পারে। যা থেকে হতে পারে ক্যানসার। ডাযাবেটিস। হরমোনের সমস্যাও হতে পারে। সবমিলিয়ে ভয়ঙ্কর ৷’’

জয়ন্তবাবুর মতে, কোনও প্লাস্টিক বায়োডিগ্রেডেবল নয়। ২০ মাইক্রনের প্লাস্টিক ভূগর্ভে যায়। কুড়ি মাইক্রন ডিপ লেয়ার পর্যন্ত যাবে না। কিন্তু, কুড়ি মাইক্রনও শেষ পর্যন্ত ডিপ লেয়ারে পৌঁছয়। যে জল খাই সেটা আটকে দেয়।

এই বিপদের হাত থেকে বাঁচতে রায়গঞ্জ পুরসভা অনেক দিন আগেই প্লাস্টিকের প্যাকেট নিষিদ্ধ করেছে।

Loading...

রায়গঞ্জের পুরপ্রধান সন্দীপ বিশ্বাস বললেন, ‘‘রায়গঞ্জে পুরোপুরি নিষিদ্ধ প্লাস্টিক। যারা না মানে তাঁদের ফাইন করি। ক্রেতাদের পঞ্চাশ টাকা। বিক্রেতাদের ৫০০ টাকা ৷’’

রায়গঞ্জের পুরপ্রধান এই দাবি করছেন বটে। কিন্তু, প্লাস্টিক প্যাকেটের ব্যবহার যে বন্ধ হয়নি তা ছবি থেকেই স্পষ্ট। রায়গঞ্জ পুর এলাকার আবর্জনা যেখানে ফেলা হয় সেখানে কিন্তু প্লাস্টিকের ছড়াছড়ি।

এক বিক্রেতা বললেন, ‘‘বিকল্প কিছু দেখছি না। কাগজের ঠোঙা তৈরি হয় না। ক্রেতাও পছন্দ করে না। পাশের দোকানে প্লাস্টিকের ক্যারি ব্যাগ দিলে সেখানে চলে যাবে ৷’’

প্লাস্টিকের দূষণ থেকে রেহাই পাচ্ছে না রায়গঞ্জের কুলিক নদীও। কোনও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হয়ত উদ্যোগী হয়ে সাফাই অভিযান চালাল। তারপর যে কে সেই।

প্লাস্টিকের বিপদ সারা বিশ্বকেই ভাবাচ্ছে। তারপরেও দোকানো দোকানে প্লাস্টিক প্যাকেটের ব্যবহার বন্ধ হচ্ছে কই!

First published: 02:22:47 PM Sep 12, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर