• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • বর্ধমানে গোপীনাথ মন্দিরে মাস্ক ব্যবহারের বার্তা দেওয়া হল রথযাত্রার পুজোয়

বর্ধমানে গোপীনাথ মন্দিরে মাস্ক ব্যবহারের বার্তা দেওয়া হল রথযাত্রার পুজোয়

পূর্ব বর্ধমানের ভাগীরথী ঘেঁষা পূর্বস্থলীর শ্রীরামপুরে পাশের নদিয়া জেলা থেকে বিদ্যা চর্চার জন্য বেশ কয়েকবার এসেছিলেন চৈতন্যদেব। তাঁর বিশ্রামস্থল ছিল বলেই এলাকার নাম শ্রীরামপুর হয়েছিল বলে দাবি ইতিহাসবিদদের ।

পূর্ব বর্ধমানের ভাগীরথী ঘেঁষা পূর্বস্থলীর শ্রীরামপুরে পাশের নদিয়া জেলা থেকে বিদ্যা চর্চার জন্য বেশ কয়েকবার এসেছিলেন চৈতন্যদেব। তাঁর বিশ্রামস্থল ছিল বলেই এলাকার নাম শ্রীরামপুর হয়েছিল বলে দাবি ইতিহাসবিদদের ।

পূর্ব বর্ধমানের ভাগীরথী ঘেঁষা পূর্বস্থলীর শ্রীরামপুরে পাশের নদিয়া জেলা থেকে বিদ্যা চর্চার জন্য বেশ কয়েকবার এসেছিলেন চৈতন্যদেব। তাঁর বিশ্রামস্থল ছিল বলেই এলাকার নাম শ্রীরামপুর হয়েছিল বলে দাবি ইতিহাসবিদদের ।

  • Share this:

বেদির উপর বসানো রথ। তার ওপর জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রা মূর্তি দেখে পুজো হলো পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর শ্রীরামপুরে। মুখে মাস্ক বেঁধে রথের দড়ি হাতে তুলে নিলেন এলাকার বাসিন্দা তথা প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এবার রথের রশিতে টান পড়লো না।  মুখে মাস্ক পড়ুন,  এই বার্তা দেওয়া হল প্রতিমা দর্শনে আশা পুরুষ মহিলাদের।

পূর্ব বর্ধমানের ভাগীরথী ঘেঁষা পূর্বস্থলীর শ্রীরামপুরে পাশের নদিয়া জেলা থেকে বিদ্যা চর্চার জন্য বেশ কয়েকবার এসেছিলেন চৈতন্যদেব। তাঁর বিশ্রামস্থল ছিল বলেই এলাকার নাম শ্রীরামপুর হয়েছিল বলে দাবি ইতিহাসবিদদের । সেই শ্রীরামপুরের রথযাত্রা গত দেড় দশকে আলাদা মাত্রা পেয়েছে। কিন্তু এবার করোনা সংক্রমণের আবহে সেই শ্রীরামপুরের রথের রশিতে টান পড়লো না।

উত্তর শ্রীরামপুর শ্রী শ্রী গোপীনাথ মন্দিরে সারা বছর প্রভু জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার পুজো করা হয়। রথের দিন পুজোর পর সেখান থেকে বিগ্রহ বের করে রথে বসিয়ে সেই রথ টেনে হেমাতপুরে জগন্নাথ দেবের মাসির বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই রথযাত্রায় অগণিত  উৎসাহী পুরুষ, মহিলা ভিড় করেন। এবার সেই ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়ল।

সেই রথযাত্রা বন্ধ থাকলেও উত্তর শ্রীরামপুরের গোপীনাথ মন্দিরে রথ যাত্রার বিশেষ পুজো অনুষ্ঠিত হল নিষ্ঠার সঙ্গেই। সেই পুজো দেখার সুযোগ পেলেন দর্শনার্থীরাও। তবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে মন্দিরের সামনে বাঁশের ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছিল।

ভক্তরা এক গেট দিয়ে ঢুকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রা মূর্তি দর্শন করে অন্য দরজা দিয়ে বের হন। এর জন্য ঢোকার মুখে দর্শনার্থীদের হাতে মাস্ক দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে তাদের হাতে একটি করে সাবানও দেওয়া হয়। করোনার সংক্রমণ রুখতে এখনও যে মাস্ক পরা একান্তই জরুরি, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও সাবান দিয়ে বারেবারে হাত ধোওয়া সমান প্রয়োজন সেই সব বিষয়ে বাসিন্দাদের সচেতন করা হয়। জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রার মূর্তির পাশে ছিল মাস্ক ব্যবহার করুন লেখা প্লাকার্ডও।

SARADINDU GHOSH

Published by:Arindam Gupta
First published: