Home /News /south-bengal /
পূর্ব বর্ধমানে করোনায় আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার অনেক বেশি, স্বস্তিতে বাসিন্দারা

পূর্ব বর্ধমানে করোনায় আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার অনেক বেশি, স্বস্তিতে বাসিন্দারা

আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার অনেক বেশি হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন বাসিন্দারা। তবে এখনও সাবধানতা অবলম্বন করে যেতে হবে বলে পরামর্শ দিচ্ছে জেলা প্রশাসন

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৫০ ছাড়ালো। আজ, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৫১ জনের দেহে করোনা সংক্রমণ মিলেছে। তবে তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে এই জেলার ১২ জন বাসিন্দা কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন । ১৩৯  জন বাসিন্দা চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এখনও পর্যন্ত এই জেলায়  করোনা আক্রান্ত হয়ে কোনও ব্যক্তির মৃত্যু হয়নি। পূর্ব বর্ধমান জেলায় গত ২৪  ঘণ্টায় নতুন করে ২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, দু'জনেই গলসি ১ নম্বর ব্লকের বাসিন্দা। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ২২ হাজার ৯১৬ জন পুরুষ ও মহিলার লালারসের নমুনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তার মধ্যে ১৫১ জনের রিপোর্ট করোনা পজিটিভ এসেছে। করোনা আক্রান্ত এলাকাগুলিকে কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমান জেলায় ১২১ টি এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলিকে বাফার জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ায় ১০৮ টি এলাকা থেকে কন্টেইনমেন্ট জোন ও বাফার জোন তুলে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে জেলায় ১৩ টি কন্টেইনমেন্ট জোন রয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের সংখ্যা ও সেখানে থাকা বাসিন্দাদের সংখ্যা দিন দিন কমছে। বর্তমানে পূর্ব বর্ধমানে বিভিন্ন কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে মোট ৩হাজার ১৪৮ জন রয়েছেন। এঁদের মধ্যে ১৪৮৪ জন  ব্যাপকভাবে আক্রান্ত পাঁচ রাজ্য--দিল্লি,গুজরাত, মহারাষ্ট্র ,মধ্যপ্রদেশ ও তামিলনাড়ু থেকে এসেছিলেন। পূর্ব বর্ধমান জেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৭৪১০ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার অনেক বেশি হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন বাসিন্দারা। তবে এখনও সাবধানতা অবলম্বন করে যেতে হবে বলে পরামর্শ দিচ্ছে জেলা প্রশাসন।স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, বাইরে বের হলে মুখে মাক্স পরা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা অত্যাবশ্যক। পাশাপাশি বারবার হাত স্যানিটাইজ করা বা সাবান দিয়ে হাত ধোওয়ার অভ্যাস বজায় রাখতে হবে।

SARADINDU GHOSH

Published by:Rukmini Mazumder
First published:

পরবর্তী খবর