দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

এবার তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়লেন বনগাঁর রতন ঘোষ, দাদার অনুগামীদের ব্যানারে ছয়লাপ বনগাঁ শহর

এবার তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়লেন বনগাঁর রতন ঘোষ, দাদার অনুগামীদের ব্যানারে ছয়লাপ বনগাঁ শহর

তবে একদা রতন ঘোষের অনুগামী বনগাঁর বিজেপি নেতা ও বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস, রতনদাকে বিজেপিতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়ে রেখেছেন।

  • Share this:

#বনগাঁ: তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সদস্যপদও ছেড়ে দিলেন বনগাঁর রতন ঘোষ। গতকাল, বুধবার, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর আজ তার নতুন পদক্ষেপের কথা জানান তিনি। উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় তৃণমুল কংগ্রেসের অন্যতম শক্ত ঘাঁটি বনগাঁ মহকুমা। ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দল গঠনের পর থেকে নিজের হাতের তালুতে যেন শহর ও মহকুমাকে সাজিয়ে তুলেছিলেন রতন ঘোষ। ২০০১ সালে এই বনগাঁ মহকুমার গাইঘাটা থেকে জয়ী হয় বর্ধমানের ভূমিপুত্র জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। ২০০০ সালের বনগাঁয় ত্রাণ বিলিকে কেন্দ্র করে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের প্রবেশ। সেই থেকেই উত্তর ২৪ পরগনায় দলের নয়নমনী হয়ে ওঠেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। ক্রমশ জেলা কংগ্রেসের সঙ্গে সঙ্গে বনগাঁ মহকুমার রাজনীতির রাশ চলে আসে বর্তমান খাদ্যমন্ত্রী ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃনমুল কংগ্রেসের সভাপতির হাতে। রাজনীতির ময়দানে রতন ঘোষ ক্রমশ কোনঠাসা হয়ে যান। দল তাঁকে গত পঞ্চায়েত ভোটে বনগাঁ থেকে তুলে নিয়ে সুন্দরবনের সন্দেশখালি থেকে জেলা পরিষদের সদস্য করে। জেলা পরিষদ দখলের পর তাঁকে সেই খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র অধীনে জেলা পরিষদের খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ করা হয়। গতকাল, বুধবার, সেই পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বিদ্রোহের সূচনা করেন তিনি।

এর আগে বারাকপুরের বিধায়ক শীল ভদ্র দত্ত ঘোষণা করেছেন তিনি আর তৃণমূল কংগ্রেসের চিহ্নে ভোটে দাঁড়াবেন না। তবে তিনি সরাসরি বিধায়ক পদে ইস্তফা বা দল ত্যাগের কথা কোথাও বলেননি। সেই অর্থে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়  তৃণমূল কংগ্রেসের সংসারে হালের সময় প্রথম বিদ্রোহী বনগাঁর রতন ঘোষ। গতকাল তৃণমূল সুপ্রিমোর মেগা শোয়ে রতন ঘোষের অনুপস্থিতি গুঞ্জন ছড়িয়ে ছিল। বিকালেই রতন ঘোষ জানিয়ে দেন তিনি ইস্তফা দিচ্ছেন জেলা পরিষদের খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে। রাত পোহাতেই রতন ঘোষ জানিয়ে দেন শুধু খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ পদ নয় দলের সাধারণ সদস্য পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন। আর সেই সাধারণ সদস্য পদের ইস্তফাপত্র তিনি দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

এইখানেই থেমে থাকেনি বনগাঁর রতন ঘোষের সঙ্গে দলের বিচ্ছেদ পর্ব।বনগাঁয় রতন ঘোষের অনুগামীরা ইতিমধ্যে দাদার অনুগামী পোস্টার ও ব্যানার সাটানো শুরু করে দিয়েছেন। তবে রতন ঘোষ জানিয়েছেন আজীবন রাজনীতি করা মানুষ তিনি। তাই রাজনীতির মধ্যেই মানুষের সেবা করবেন। তবে খোলসা করেননি তিনি এবার কোন রাজনৈতিক দলের হয় মাঠে নামবেন, সেই কথা।তবে একদা রতন ঘোষের অনুগামী বনগাঁর বিজেপি নেতা ও বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস, রতনদাকে বিজেপিতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়ে রেখেছেন।

Published by: Pooja Basu
First published: December 10, 2020, 12:44 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर