ক্ষুধার্তের কাছে তিনিই ‘অন্নপূর্ণা’, খাবার থেকে পোশাক, অসহায়দের সাহায্যে এগিয়ে আসেন পাপিয়া

ক্ষুধার্ত কাছে তিনিই ‘অন্নপূর্ণা’, খাবার থেকে পোশাক, অসহায়দের সাহায্যে এগিয়ে আসেন পাপিয়া

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Jul 27, 2019 06:04 PM IST
ক্ষুধার্তের কাছে তিনিই ‘অন্নপূর্ণা’, খাবার থেকে পোশাক, অসহায়দের সাহায্যে এগিয়ে আসেন পাপিয়া
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Jul 27, 2019 06:04 PM IST

#রাণাঘাট: মধ্যবিত্ত জীবন। সীমিত সাধ্যে অসাধ্য-সাধনের স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন বুকে নিয়েই প্রতিদিন বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন কৃষ্ণগঞ্জের পাপিয়া কর। খাবার-পোষাক দিয়ে সাহায্য করেন অসহায় মানষদের। রানাঘাট স্টেশনের অনেক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের আজ আশ্রয় পাপিয়া।

স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছিলেন বাবা, ঠাকুমা। নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে অভাবকে তোয়াক্কা না করেই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতেন তাঁরা। সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার পাঠ সেই তখন থেকেই। আজ রানাঘাটের কৃষ্ণগঞ্জের পাপিয়া করের কাছে সমাজসেবা এক নেশা।

বয়স তিরিশের একটু বেশি। স্বামী, ছেলে নিয়ে ঘোর সংসারী। মধ্যবিত্ত পরিবার। সীমিত ক্ষমতা। প্রতিদিন সংসারের যাবতীয় ঝক্কি সামলে ব্যাগ কাঁধে বেরিয়ে পড়েন পাপিয়া। সঙ্গে থাকে বাড়িতে রান্না করা খাবার। রাস্তায়, স্টেশনে যেখানেই অসহায় , ক্ষুধার্ত মানুষ দেখেন, তাঁদের খাইয়ে তবে শান্তি।

প্রতিদিন পাপিয়ার অপেক্ষায় থাকেন রানাঘাটের অনেক বয়স্ক, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন অসহায় মানুষ। কাউকে ভাই পাতিয়েছেন। কারও চিকিৎসা করাচ্ছেন হাসপাতালে। খাবার কেনা থেকে জামাকাপড়ের ব্যবস্থা। সবটাই করেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। এমনকি, রানাঘাট স্টেশনে অনাথ শিশুদের জন্মদিনও পালন করেন পাপিয়া।

প্রচারে অনীহা। তবু তাঁর গল্প ছড়িয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। বহু প্রশংসা পেয়েছেন। তবে ট্রোলডও হয়েছেন। তাতে অবশ্য থোড়াই কেয়ার পাপিয়ার। তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন সমাজের বিশিষ্টজনেরা। প্রশংসা বা নিন্দা, কোন কিছুরই প্রভাব পড়ে না পাপিয়ার কাজে। কারও সাহায্যও চান না। শুধু চান নিজের মত করে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে।

First published: 03:48:10 PM Jul 27, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर