Rajib Banerjee: 'উৎপল দত্ত বেঁচে থাকলে রাজীবকে দেখে লজ্জা পেতেন!'

রাজীব প্রসঙ্গে এলেন উৎপল দত্তও

Rajib Banerjee: ডোমজুড়ে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ল বুধবার। বুধবার সকালে সলপ বাজারে তৃণমূলের নামে ওই পোস্টার দেখা যায়। পোস্টারে লেখা, বিশ্বাসঘাতক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে যেন দলে ফেরানো না হয়।

  • Share this:

    #কলকাতা: প্রত্যাশা ছিলই, আর সেই প্রত্যাশা মতোই এবার বেসুরো হয়েছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় (Rajib Banerjee)। মাস কয়েক আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়ার জন্য যে পথে হেঁটেছিলেন তিনি, সেই পথ ধরেই যেন এবার ফিরে আসতে চাইছেন পুরনো দল। আর সেই সূত্রেই যেন তাঁর গলায় মুকুল পুত্র শুভ্রাংশুর বক্তব্যেরই প্রতিধ্বনি। গতকাল হেস্টিংসে যখন দলের শীর্ষনেতারা বৈঠক করছে, ঠিক তখনই জনগণের মন জয় করে ক্ষমতায় আশা সরকারের সমালোচনার বিরোধিতা করে ফেসবুক পোস্ট করেন রাজীব। লেখেন, 'সমালোচনা তো অনেক হলো'। এরপরই একাধারে বিজেপির তরফে যেন রাজীবকে কটাক্ষ করা হয়েছে, অপরদিকে তাঁর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন তৃণমূলের একাংশও। সেই সূত্রেই ডোমজুড়ে তাঁর বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ল বুধবার। বুধবার সকালে সলপ বাজারে তৃণমূলের নামে ওই পোস্টার দেখা যায়। পোস্টারে লেখা, বিশ্বাসঘাতক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে যেন দলে ফেরানো না হয়।

    শুধু তাই নয়, হাওড়ার তৃণমূল নেতা তথা মন্ত্রী অরূপ রায় রাজীবকে কটাক্ষ করে বলেন, 'ভোটের আগে অভিনয় করে দল ছেড়ে গেলেন। এখন ভোটে হেরে সেই অভিনয় করেই ফিরে আসতে চাইছেন। কিন্তু এবার এত সোজা হবে না। উনি অভিনেতা আসলে। উৎপল দত্ত বেঁচে থাকলে ওনাকে দেখলে লজ্জা পেতেন।'

    ভোটের ঠিক আগেআগেই চাটার্ড বিমানে দিল্লি গিয়ে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ডোমজুড় থেকে তাঁকে বিজেপি প্রার্থী করলেও প্রায় ৪২ ভোটে পরাজিত হন তিনি। আর ফলপ্রকাশের পর থেকেই রাজীবকে নিয়ে গুঞ্জন ছিলই। এরপরই গতকাল রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেসুরো ট্যুইট ঘিরে জল্পনা ছড়ায়। গতকালই অবশ্য তৃণমূলের হাওড়া জেলা সদরের চেয়ারম্যান অরূপ রায় এ বিষয়ে কটাক্ষ করে বলেছিলেন, 'দলে বিশ্বাসঘাতকদের জায়গা নেই। তবে উৎপল দত্ত বেঁচে থাকলে এই অভিনয় দেখে লজ্জা পেতেন।' যদিও এখনও প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে।

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার দিল্লিতে যখন শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করছেন, বাংলার পরিস্থিতি ৩৫৬ ধারার থেকেও খারাপ, তখন ফেসবুকে রাজীব লেখেন, 'মানুষের বিপুল জনসমর্থন নিয়ে আসা নির্বাচিত সরকারের সমালোচনা ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরোধিতা করতে গিয়ে কথায় কথায় দিল্লি আর ৩৫৬ ধারার জুজু দেখালে বাংলার মানুষ ভালো ভাবে নেবে না। আমাদের সকলের উচিত রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে কোভিড আর ইয়াস দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার মানুষের পাশে থাকা।'

    যদিও রাজীবের এহেন পোস্টের পরই সুর চড়ান শুভেন্দু। বলেন, 'এখন প্রথম কাজ যে সমস্ত কর্মীরা প্রাণ বাজি রেখে আমাদের জন্য ভোটে লড়েছেন, তাঁদের পাশে দাঁড়ানো। তারপর এসব কথা বলা, শোনা যাবে।'

    Published by:Suman Biswas
    First published: