• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • RAJESH ORAO MARTYR IN INDIA CHINA BORDER CONFLICT WAS REMEMBERED BY FAMILY ON HIS DEATH ANNIVERSARY PBD

চোখের জলে স্মরণ, ভারত-চিন সীমান্তে শহিদ রাজেশ ওরাং-র মৃত্যুবার্ষিকী পালিত তাঁর গ্রামে

পুরোনো স্মৃতিতে আবারও চোখের জলে ভেজে তার মায়ের চোখ।

পুরোনো স্মৃতিতে আবারও চোখের জলে ভেজে তার মায়ের চোখ।

  • Share this:

#বীরভূম: আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে শহিদ হন ভারত মাতার বীর সন্তান বীরভূমের রাজেশ ওরাং। দেশকে বাঁচাতে প্রাণ হারাতে হয় তাঁকে। তাঁর গ্রাম বীরভূমের মহম্মদবাজারের বেলগড়িয়ায় নেমে আসে শোকের ছায়া। আজ থেকে এক বছর আগে আজকের দিনে ঘটে যায় সেই মর্মান্তিক ঘটনা।  ভারত-চিন সীমান্তে (India China Border) শত্রুদের আক্রমণে শহিদ হন বীরভূমের বেলগরিয়ার বীর সন্তান রাজেশ ওরাং। বীরভূমের বেলগরিয়া গ্রামে আজ আরও একবার নেমে আসে তীব্র শোকের ছায়া। পুরোনো স্মৃতিতে আবারও চোখের জলে ভেজে তার মায়ের চোখ। বীর সন্তান রাজেশ ওরাং-কে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে একটি অবক্ষয় মূর্তি  বসানো হয়েছে বেলগরিয়ায় গ্রামে। আজ সেই মূর্তিতে মাল্য দান করেন সাইথিয়ার বিধায়ক  নিলাবতী সাহা ও তার মা মমতা ওরাং ও বোন শকুন্তলা ওরাং সহ আত্মীয়স্বজনরা। NCC 15 বেংগল রেজিমেন্ট থেকেও তাঁর গ্রামে গিয়ে তার মূর্তিতে মাল্যদান করা হয়।

বীরভূমের এই বীর সন্তানের গ্রাম বেলগরিয়াকে আরও সুন্দর করে সাজিয়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন ওখানকার বিধায়ক । রাজ্য সরকারের তরফ থেকে রাজেশ ওরাং এর বাড়ির লোককে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল  তা ইতিমধ্যেই রাখা হয়েছে। রাজেশ ওরাং এর বোন শকুন্তলা ওরাংকে চাকরি দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। মায়ের কোল খালি হওয়ার শোক ভোলাতে না পারলেও, কিছুটা হলেও চেষ্টা চলছে ক্ষতি পূরণের।

এছাড়াও আগে বিভিন্ন উপায়ে সাজানো হয়েছে গ্রাম । বীরসন্তানের নিবাস বেলগরিয়া গ্রাম থেকে জাতীয় সড়ক পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা পাকা করে দেওয়া হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের দিন কাটছে শোকে। আজ তাঁর মৃত্যু বার্ষিকীতে তাঁর স্মরণে একটি ছোট্ট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় তাঁর গ্রাম বীরভূমের বেলগরিয়ায়। সেই অনুষ্ঠানে তাকে শ্রদ্ধা জানান বিধায়ক থেকে তাঁর পরিবারের লোক সবাই। সাথে থাকেন সমাজ কর্মীরাও। বীর সন্তানকে শ্রদ্ধা জানাতে দূর থেকেও ছুটে আসেন অনেক মানুষ। তাঁর মূর্তিতে একে একে সবাই মালা দিয়েই জানান শ্রদ্ধা।

Published by:Pooja Basu
First published: