Mustard Oil : সরষের তেলে ভেজাল ! নিম্নমানের তেল ভরা হচ্ছিল নামী সংস্থার ফাঁকা কৌটোয়

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হানা দেয় পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের এনফোর্সমেণ্ট ব্রাঞ্চ

সরষের তেলের নকল কারখানার হদিশ বর্ধমানে (Burdwan)! অভিযোগ, বেআইনিভাবে নামী ব্র্যান্ডের টিনে ভরা হতো নিম্নমানের সরষের তেল

  • Share this:

বর্ধমান: সরষের তেলের নকল কারখানার হদিশ! অভিযোগ, বেআইনিভাবে নামী ব্র্যান্ডের টিনে ভরা হতো নিম্নমানের সরষের তেল । অভিযোগ, বর্ধমান শহরের লাকুড্ডি এলাকায় চলছিল এমনই তেল কারখানা । গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হানা দেয় পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের এনফোর্সমেণ্ট ব্রাঞ্চ।

এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ এবং ফুড সেফটি ডিপার্টমেন্ট-সহ বর্ধমান থানার পুলিশ যৌথ ভাবে এই অভিযান চালায়। প্রচুর তেল বোঝাই টিন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বেশ কিছু নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। সে সব পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হচ্ছে।

কারখানায় মিলেছে বিশাল ড্রামে মজুত প্রচুর নিম্নমানের তেল । এমনই দাবি পুলিশের । মিলেছে প্রচুর ফাঁকা টিন ।এই কারখানায় নিম্নমানের তেলের সঙ্গে  মেশানো হতো বিশেষ রঙ । সেই রঙেই বাড়ত ঝাঁঝও ।

নিম্নমানের তেল ভাল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে নামি ব্রান্ডের টিনে ভরে পাঠানো হতো বাজারে। তদন্তের পর প্রাথমিকভাবে এমনটাই অনুমান তদন্তকারী আধিকারিকদের । তাঁদের দাবি, সরষে থেকে তেল বের করার যাবতীয় পরিকাঠামো থাকলেও বর্তমানে সে কাজ বন্ধ ছিল । তার বদলে নিম্নমানের তেল ভাল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে নামি কোম্পানির টিনে ভরে বাজারে পাঠানো হচ্ছিল ।

এমনিতেই এখন আকাশ ছোঁয়া সরষের তেলের দাম। কেজি প্রতি সরষের তেল দুশো টাকার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। সেই সময় নিম্ন মানের তেল বিক্রি করে মোটা টাকা মুনাফা লোটা চলছিল বলে মনে করছে তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকরা ।

জানা গিয়েছে, এ দিন একটি ভোজ্য তেলের গুদামে হানা দিয়ে প্রায় ১২৮ টিন বিভিন্ন নামী ব্র্যান্ডের তেল বাজেয়াপ্ত করা হয় । এনফোর্সমেণ্ট ব্রাঞ্চ সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন গুদামের মালিক ফুড লাইসেন্স-সহ কোনও রকম বৈধ কাগজপত্রই দেখাতে পারেনি । বাজেয়াপ্ত তেলের নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে । সেখান থেকে রিপোর্ট আসার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ করবেন তাঁরা।

তবে বেআইনিভাবে কিছুই হচ্ছে না-দাবি কারখানা কর্তৃপক্ষের। তাদের বক্তব্য, এখানে কোনও বেআইনি কাজ হয়নি । ব্যবসার সব রকম বৈধ কাগজপত্রও রয়েছে। যথা সময়ে তা পুলিশের কাছে পেশ করা হবে বলে দাবি কারখানা কর্তৃপক্ষের।

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published: