বাংলার একটি আসন থেকে আর লড়তেই পারবে না তৃণমূল! কেন? শুরু শোরগোল

বাংলার একটি আসন থেকে আর লড়তেই পারবে না তৃণমূল! কেন? শুরু শোরগোল

২৯৪ আসন নয়, বরং ২৯৩ আসনেই লড়াই করবে রাজ্যের শাসক দল।

২৯৪ আসন নয়, বরং ২৯৩ আসনেই লড়াই করবে রাজ্যের শাসক দল।

  • Share this:

    #কলকাতা: 'অঘটন' ঘটেই চলেছে তৃণমূলে। স্বয়ং দলনেত্রী চোট পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি। এরই মধ্যে প্রথম দফা ভোটের একটি আসনের তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করে দিল নির্বাচন কমিশন। এক সেট ত্রুটিপূর্ণ মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন পুরুলিয়ার জয়পুরের শাসক দলের প্রার্থী উজ্জ্বল কুমার। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন চলে যাওয়ার ওই আসনে আর অন্য কোনও প্রার্থীও দাঁড় করাতে পারবে না তৃণমূল। ফলে ২৯৪ আসন নয়, বরং ২৯৩ আসনেই লড়াই করবে রাজ্যের শাসক দল।

    জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য এই ঘটনায় 'অন্তর্ঘাতের' অভিযোগও একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছে না। বরং তাঁদের অভিযোগ, জেলা নেতৃত্বের কারও সঙ্গে কথা না বলে, এর আগে যারা মনোনয়ন দিয়েছেন, তাঁদের কারও সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন উজ্জ্বল। এই পরিস্থিতিতে অন্য পথ খোঁজার চেষ্টা চলছে। সেক্ষেত্রে দলের টিকিট না পেয়ে জয়পুরে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়া যুবনেতা দিব্যজ্যোতি সিংকে সমর্থন করতে পারে তৃণমূল।

    প্রসঙ্গত, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী তালিকায় পুরুলিয়ার ২৪১ নম্বর জয়পুর আসনে প্রার্থী করেছিলেন উজ্জ্বলকে। কিন্তু তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে উজ্জ্বল কুমার মাত্র এক সেট মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। আর তাতেই ছিল ভুল। ফলে কমিশনের তরফে সেই মনোনয়ন বাতিল করে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে কমিশনের ওয়েবসাইটেও বিষয়টির উল্লেখ করা হয়েছে। মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রসঙ্গে প্রার্থী উজ্জ্বল কুমার অবশ্য বলেছেন, তাঁর মনোনয়ন কেন বাতিল করা হল, তা জানাতে পারবেন, যাঁরা দায়িত্বে রয়েছেন তাঁরাই। যদিও জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব সেই দায় নিতে নারাজ।

    জানা গিয়েছে, উজ্জ্বল কুমারের মনোনয়নের প্রস্তাবক ছিলেন জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক শরৎ কুমার। সূত্রের খবর, মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর ওইদিনই তাতে ক্রুটির কথা কমিশনের তরফে জানানোও হয়েছিল। তার প্রেক্ষিতে বুধবার বেলা ১১ টার মধ্যে সংশোধিত হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল কমিশনের তরফে। সেই অনুযায়ী বুধবার তিনি নথি জমাও করেন। কিন্তু সেখানে দেখা যায় তারিখ দেওয়া রয়েছে ৮ মার্চ। কিন্তু সংশোধিত হলফনামা জমা করার জন্য কমিশন তাঁকে চিঠি দিয়েছিল ৯ মার্চ।

    যদিও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, বিধানসভা নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে যে কোনও দলের আইনজীবীরাই মনোনয়ন আগে পরীক্ষা করে দেখেন, এ ক্ষেত্রে পুরো বিষয়টি সকলের নজর কীভাবে এড়িয়ে গেল, সেটাই ভাবাচ্ছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্বকে।

    Published by:Suman Biswas
    First published:
    0