ইতিহাস-মাখা পুরুলিয়ার দেউলঘাটা, কংশাবতীর ধারে পোড়ামাটির মন্দির

গায়ে জড়িয়ে থাকা আগাছাতেই লেখা প্রাচীন ঐতিহ্যের ইতিহাস। প্রাচীন দু’টি মন্দিরের বয়স দু’হাজার পেরিয়েছে।

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Aug 30, 2019 09:00 PM IST
ইতিহাস-মাখা পুরুলিয়ার দেউলঘাটা, কংশাবতীর ধারে পোড়ামাটির মন্দির
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Aug 30, 2019 09:00 PM IST

#পুরুলিয়া: গায়ে জড়িয়ে থাকা আগাছাতেই লেখা প্রাচীন ঐতিহ্যের ইতিহাস। প্রাচীন দু’টি মন্দিরের বয়স দু’হাজার পেরিয়েছে। সংস্কার শুরু হলেও, মাঝপথে কাজ বন্ধ করে দেয় আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া। সরকারি উদাসীনতায় রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে আরও জরাজীর্ণ পুরুলিয়ার জয়পুর ব্লকের দেউলঘাটা মন্দির।

এ এক মন্দিরের কাহিনি। যেখানে চৌকাঠে দাঁড়িয়ে থাকে ইতিহাস। পোড়া মাটির শরীর জুড়ে আজ দু’হাজার বছরের জরা। মন্দিরের গায়ে শ্যাওলার বসত। পুরুলিয়ার জয়পুর ব্লকের দেউলঘাটা মন্দির এখন ধ্বংসের আশঙ্কায় কাঁপছে।

একটা সময়ে তিনটি মন্দির ছিল। দু’হাজার সালে ভেঙে যায় একটি। তারপর থেকে কোনওরকমে অস্তিত্ব টিকিয়ে দাঁড়িয়ে দেউলঘাটার ইতিহাস। মন্দির নিয়ে বহু গল্প। কেউ বলেন, ধর্ম প্রচার করতে মন্দির তৈরি করেন জৈনরা। কারও মতে বৌদ্ধদের আদল আছে মন্দিরে। মন্দিরের ভিতর মিলেছে কালো পাথরের দশভূজা।

বাংলার পর্যটন মানচিত্রে জায়গা করে নিয়েছে কংশাবতীর তীরে ষাট ফুট উঁচু পোড়া মাটির মন্দির। । ২০০০ সালে মন্দির সংস্কার শুরু হয়। তিন বছর পর আচমকাই কাজ বন্ধ করে দেয়

পর্যটকদের খুব চেনা দেউলঘাটা। পুরাতত্বের ইতিহাস খুঁজতে এখানে এসে অনেকেই হতাশ হন।

Loading...

আয়ু কমছে দ্রুত। ফিকে হচ্ছে জৌলুস। কিন্তু স্মৃতি বইছে যে স্থাপত্য, তা অন্তত অটুট থাক। আরজি স্থানীয়, পর্যটকদের।

First published: 09:00:56 PM Aug 30, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर