Home /News /south-bengal /
East Medinipur: মর্মান্তিক! পরপর বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ধান চাষিদের...

East Medinipur: মর্মান্তিক! পরপর বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ধান চাষিদের...

Photo- Representative

Photo- Representative

East Medinipur News: গ্রীষ্মের দাবদাহে ঝড়-বৃষ্টিতে স্বস্তির মধ্যে দিশেহারা অবস্থা পূর্ব মেদিনীপুরের কৃষকদের। কোথাও ঝরে গেছে ধানের শীষ, কোথাও আবার জলে ডুবে গেছে মাঠে কেটে রাখা ধান। ধান কেটে ঘরে তোলার আগেই ঝড় বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে গেছে বিঘার পর বিঘা ফসল।

আরও পড়ুন...
  • Share this:

    #পূর্ব মেদিনীপুর: পরপর বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ধান চাষিদের। তিন ধরনের ধান চাষ হয় বিভিন্ন সময়ে। আউশ, আমন, বোরো, এই তিন ধরনের ধান চাষের সঙ্গে যুক্ত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কৃষকেরা। গ্রীষ্মকাল, বোরো ধান মাঠ থেকে ঘরে তোলার সময়। ধান তোলার সময় পরপর ঝড় বৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে বোরো ধান। ক্ষতির মুখে জেলার চাষিরা। তীব্র গরমে নাজেহাল অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে সব মানুষই চেয়েছিল বৃষ্টি। ঝড় বৃষ্টির কারণে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহ কমেছে। গরম থেকে স্বস্তি পেয়েছেন মানুষজন। কিন্তু ক্ষতির মুখে পড়েছেন ধান চাষিরা।

    পরপর ঝড় বৃষ্টির ফলে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন ব্লকের বোরো ধান চাষের সঙ্গে যুক্ত চাষিরা সমস্যায় পড়েছেন। জেলা জুড়ে প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে এই ধান চাষ হয়। কিছু পরিমাণ ধান মাঠ থেকে ঘরে তুলে আনলেও, বেশিরভাগ ধান এখনো মাঠে পড়ে আছে। আর মাঠে পড়ে থাকা ধান ঝড় বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কালবৈশাখীর প্রচন্ড ঝড়ের সঙ্গে অঝোর বৃষ্টি।

    গ্রীষ্মের দাবদাহে ঝড়-বৃষ্টিতে স্বস্তির মধ্যে দিশেহারা অবস্থা পূর্ব মেদিনীপুরের কৃষকদের। কোথাও ঝরে গেছে ধানের শীষ, কোথাও আবার জলে ডুবে গেছে মাঠে কেটে রাখা ধান। ধান কেটে ঘরে তোলার আগেই ঝড় বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে গেছে বিঘার পর বিঘা ফসল। কৃষকদের দাবি, ঋণ নিয়ে চাষ করেছিলেন তাঁরা। এক বিঘা জমি ধান চাষ করতে ১৫-১৮হাজার টাকা খরচ হয়। কিন্তু ঝড়-বৃষ্টিতে মাঠের ধান মাঠে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন তারা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সবচেয়ে বেশি ধান নষ্ট হয়েছে এগরা মহাকুমা এলাকায়। এই পরিস্থিতিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কৃষি দফতর।

    Saikat Shee

    Published by:Rachana Majumder
    First published:

    Tags: East Medinipur, Paddy

    পরবর্তী খবর