Home /News /south-bengal /
Purba Medinipur: অক্ষয় তৃতীয়ায় ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ল তমলুকের মহা জাগ্রত বর্গভীমা মন্দিরে

Purba Medinipur: অক্ষয় তৃতীয়ায় ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ল তমলুকের মহা জাগ্রত বর্গভীমা মন্দিরে

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার একমাত্র শক্তিপীঠ দেবী বর্গভীমা মায়ের মন্দিরে পুজো দেওয়ার জন্য ভক্তদের ঢল নামে সকাল থেকে

  • Share this:

    #তমলুক, পূর্ব মেদিনীপুর: বৈশাখ মাসের শুক্লা তৃতীয়া অক্ষয় তৃতীয়া হিসাবে পালিত হয়। হিন্দু ধর্মের মানুষের কাছে এই দিনটি শুভ দিন। এই দিনে মানুষজন শুভ কাজ সম্পন্ন করে সুখ-সমৃদ্ধির আশায়। গৃহপ্রবেশ, হাল কর্ষণ, বিবাহ এমনকী বহু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নতুন খাতাও এই দিনে শুরু হয়। ১৪২৯ সালে অক্ষয় তৃতীয়া বৈশাখ মাসের ১৯ তারিখ মঙ্গলবার। এদিন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার একমাত্র শক্তিপীঠ দেবী বর্গভীমা মায়ের মন্দিরে পুজো দেওয়ার জন্য ভক্তদের ঢল নামে সকাল থেকে।

    আরও পড়ুন: বহরমপুরের পড়ুয়া খুনে ফাঁসির দাবি করলেন নিহতের মা, গ্রাম জুড়ে শোকের ছায়া

    পুরাণে বর্ণিত ৫১ শক্তিপীঠ বা সতীপীঠের একটি তমলুকের অধিষ্ঠাত্রী দেবী বর্গভীমা মায়ের মন্দির। এই মন্দিরে দেবী ভীমা কালী রূপে পূজিতা। শুধু তমলুকবাসী নন, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা-সহ পার্শ্ববর্তী জেলার মানুষজন এই মন্দিরে পুজো দিতে আসেন। মন্দিরে সকাল থেকে সারাদিন ধরে চলে অক্ষয় তৃতীয়ার পূজা পাঠ। এই শুভদিনে পুজো দিতে ভক্তেরা দলে দলে হাজির হন । অনেক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মলিক বা দোকানদার রয়েছেন, যাঁরা পয়লা বৈশাখ কিংবা অক্ষয় তৃতীয়া তিথিতে নতুন খাতা শুরু করেন। মন্দিরে সকাল থেকে চলে নতুন খাতার পুজো। খাতার প্রথম পাতার ওপর লাল কালিতে বিশেষ মোহর করা হয়। তারপর তা মায়ের চরণে পুজো দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: মানবিক! ইদের দিনে বাড়ির অনুষ্ঠান ফেলে রেখে গর্ভবতী মহিলাকে রক্ত দিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর...

    অন্যদিকে, অক্ষয় তৃতীয়ার পূণ্যলগ্নে মহিষাদল রাজবাড়িতে বিশেষ পুজোপাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হল রথপর্বের প্রস্তুতি। করোনার কারণে গত দু'বছর সড়কে গড়ায়নি রথের চাকা। টান পড়েনি রথের রশিতেও। দু'বছরের বিরতি পর্বের শেষে এবার অবস্থা পাল্টাতে চলেছে। আষাঢ় মাসে টান পড়বে রথের রশিতে। এবার মহাধুমধামেই টানা হবে মহিষাদল রাজ পরিবারের প্রাচীণ রথ। রথ পুজোর আগে আগেই আজ অক্ষয় তৃতীযয়ার বিশেষ তিথিতে পুজো-আচ্চা চলে মহিষাদল রাজ পরিবারের কূল-দেবতা গোপালজীউর মন্দিরে। অন্যান্য জায়গার মতো মহিষাদলের রথে জগন্নাথদেবের সঙ্গে বলরাম ও সুভদ্রাকে ওঠানো হয় না। মহিষাদলের রথে ওঠেন রাজ পরিবারের কুল দেবতা গোপালজীউ। তিথি এবং নিয়ম মেনে অক্ষয় তৃতীয়ার দিন গোপালজীউর মন্দিরে নিয়মনিষ্ঠা মেনেই পুজো হয়। তারপরই রথ পুজো করেন রাজ পরিবারের পুরোহিতরা।

    Saikat Shee

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published:

    Tags: Purba Medinipur News

    পরবর্তী খবর