পূর্ব বর্ধমানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮২৫, গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত ৪৭, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮

পূর্ব বর্ধমানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮২৫, গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত ৪৭, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮

সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫২৯ জন

সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫২৯ জন

  • Share this:

#বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনার সংক্রমণে লাগাম লাগানো যাচ্ছে না। প্রতিদিনই গড়ে পঞ্চাশের কাছাকাছি বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। গত একমাসে সবচেয়ে বেশি বাসিন্দা সংক্রমিত হয়েছেন এই জেলায়। গত ২৪ পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭ জন। এদিন পর্যন্ত এই জেলায় ৮২৫ জন বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫২৯ জন চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে আক্রান্ত রয়েছেন ২১৮ জন তারা। বর্ধমানের করোনা হাসপাতাল, সেফ হোম ও সেফ হাউসে রয়েছেন। এদিন পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় নতুন করে আক্রান্ত ৪৭ জনের মধ্যে ১৭ জন শহর এলাকার বাসিন্দা। তার মধ্যে বর্ধমান শহরে নতুন করে ১৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। কাটোয়া শহরে নতুন করে একজন করোনা পজিটিভ হয়েছে। মেমারি শহরে আক্রান্ত হয়েছেন দুজন।

করোনার সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে জামালপুর এলাকায়। জামালপুর ব্লকে নতুন করে ৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আরও অনেক করোনা পজিটিভের হদিশ মিলেছে বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে সংখ্যাটা ৪০-এর কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আক্রান্তদের মধ্যে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বেশ কয়েকজন স্বাস্থ্য কর্মী ও চিকিৎসক রয়েছেন বলে ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নার্স স্বাস্থ্য কর্মী চিকিৎসকদের অনেকেই ওই হাসপাতালে যাওয়ার ক্ষেত্রে অনীহা প্রকাশ করছেন বলেও খবর মিলেছে। একদিনে বহু মানুষের করোনা আক্রান্তের খবর চাউর হয়ে যাওয়ায় জামালপুর ব্লক জুড়েই ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

এছাড়া বর্ধমান এক নম্বর ব্লক, মেমারি দু'নম্বর ব্লক, মন্তেশ্বর ও পূর্বস্থলী এক নম্বর ব্লকের একজন করে আক্রান্ত হয়েছেন। কালনা এক নম্বর ব্লকে দুজন করোনা পজিটিভ হয়েছেন। কালনা দু নম্বর ব্লকে আক্রান্ত হয়েছেন তিনজন। মেমারি এক নম্বর ব্লকেও তিনজন আক্রান্ত হয়েছেন। তবে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন রায়না দু নম্বর ব্লকে। এই ব্লকে একসঙ্গে ১৩ জনের দেহে করোনার সংক্রমণ মিলেছে।

Saradindu Ghosh

Published by:Ananya Chakraborty
First published: