corona virus btn
corona virus btn
Loading

কোনন্গরে বন্ধ বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার দেড় মাসের কুকুর ছানা

কোনন্গরে বন্ধ বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার দেড় মাসের কুকুর ছানা

যেখানে কলকাতায় একের পর এক কুকুর মেরে ফেলার ঘটনা ঘটছে, সেখানে কোনন্গরের এই ঘটনা নিঃসন্দেহে নজিরবিহীন

  • Share this:

Susovan Bhattacharjee

#কলকাতা: এনআরএস, নেতাজি নগর থেকে সদ্য যাদবপুর। ঘটনা এক ! কুকুরের মৃত্যু।  কখনও অভিযুক্ত পুলিশের জালে কখনও অভিযুক্ত জালের বাইরে। পশুদের উপর যে কতটা নির্মমভাবে অত্যাচার করা যেতে পারে,  তার সাক্ষী শহর কলকাতা।

এ রাজ্যের একটি জেলার ঘটনা ঠিক যেন তার বিপরীত।  হুগলি জেলার কোন্নগরের চায়না বাজার তার উদাহরণ।  বুধবার সকাল থেকেই আওয়াজ  পাওয়া যাচ্ছিল কুকুর ছানার কান্নার। সবাই প্রথমে বিরক্ত হলেও ঘন্টা খানেক পরে বুঝতে পারেন, এ-ডাক রাস্তায় বসে কুকুরের রোজের ডাক নয়। ডাক আসছে একতলা একটি বাড়ি থেকে। সদ্য হয়েছে একতলা বাড়িটি, মালিক থাকেন বিহারে, তাহলে তো কুকুর পোষা সম্ভব নয়! সন্দেহ বাড়তে প্রতিবেশীরা বাড়ির দরজার সামনে ভিড় জমান!  সকাল ৯-টা থেকে ততক্ষণে বেলা বারোটা বেজে গিয়েছে! সবাই তখন মনে করছেন হয়তো বাড়ির মধ্যেই রয়েছে দেড়মাসের কুকুর শাবকটি। ভাল করে খোঁজ করে দেখা যায়, বাড়ির মধ্যে সেপটিক ট্যাঙ্কে পড়ে আছে কুকুর ছানা। বাড়ির দরজা বন্ধ, কাজেই গিয়ে উদ্ধার করারও উপায় নেই।

বিকালে ফোন যায় এলাকায় পশু প্রেমি বলে পরিচিত  ছট্টু সাউ-য়ের কাছে। বিকাল চারটেয় তিনি এসে বুঝতে পারেন সহজ সাধ্য কাজ নয় এটি। প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে খবর যায় কোন্নগর থানায়, পরে দমকল বিভাগে। প্রতিবেশীদের সহযোগিতা ও পুলিশের অনুমতিতে দকমল কর্মীরা সেই বাড়ির দরজার তালা ভাঙ্গেন। চারজনের দল নিয়ে দমকল বিভাগের কর্মী সোমনাথ দে তখন সেপটিক ট্যাঙ্কের মধ্যে পাইপ বেয়ে নেমে দেখতে পান দীর্ঘ সময় আটকে পড়া কুকুর শাবাকটিকে। প্রায় এক ঘন্টার চেষ্টায় উদ্ধার হয় দেড় মাসের কুকুরটি। প্রতিবেশীরা খুব খুশি তো বটেই, দকমলের চার কর্মীও নিত্যদিনের কাজের থেকে নতুন এক কাজে সাফল্য পেয়ে মানসিক শান্তি পেয়েছেন।  সোমনাথ দে জানান, '' রোজ কাজ করি, তবে এই কাজ শেষ করে যে মনে হল একটা জীবন ফিরিয়ে দিতে পারলাম।''  সব ঘটনার মধ্যে যে কিছু ঘটনা ব্যাতিক্রম হয়, এটাই তার প্রমান। কুকুরের জীবন ফিরিয়ে দেওয়ায় খুশি পশুপ্রেমিরাও।

First published: December 5, 2019, 8:32 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर