corona virus btn
corona virus btn
Loading

রথযাত্রায় দুর্গাপুজোর মণ্ডপ তৈরির শুরুতে আগ্রহ দেখাল না পুজো কমিটিগুলি

রথযাত্রায় দুর্গাপুজোর মণ্ডপ তৈরির শুরুতে আগ্রহ দেখাল না পুজো কমিটিগুলি

অনেক পুজো কমিটি বলছে, বড় বাজেটের পুজো, থিমের পুজো এবার করা সম্ভব নয়।

  • Share this:

#বর্ধমান: করোনা আবহে বর্ধমানের বাসিন্দারা বাংলা নববর্ষের মতোই রথযাত্রা উৎসব থেকে বঞ্চিতই থাকলেন। বৃষ্টি ধোয়া রথযাত্রার দিনে জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রাকে সুসজ্জিত রথের বদলে ভক্তদের কোলে চড়েই মাসির বাড়ি যেতে হল।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় ঐতিহ্যবাহী রথ যাত্রার রয়েছে অনেকগুলি। সেখানে রথযাত্রার মানেই বছরের অন্যতম বড় উৎসব। এই রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে বিশাল মেলা বসে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে। এবার করোনার আবহে বন্ধ থাকল সেসব মেলা। রীতি মেনে পুজো হল ঠিকই। তবে তা হল নিছক নিয়মরক্ষার জন্যই। অধিকাংশ জায়গাতেই সেই সব পুজো অনুষ্ঠিত হল ভক্তদের উপস্থিতি ছাড়াই। এবার বন্ধ রইল বাংলার ঐতিহ্যমন্ডিত রথের মেলা। বিকিকিনি থেকে বঞ্চিত থাকলেন ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই।

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। আর সেই পার্বনগুলির মধ্যে অন্যতম রথযাত্রা। এলাকায় এলাকায় রথযাত্রা প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায় বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই। রথ তলা এলাকায় বাঁশ পরে ঝির ঝিরে বৃষ্টির মধ্যেই। সেসব বাঁশেই তৈরি হয় দোকানের কাঠামো। বাদাম ভাজা, পাঁপড় ভাজা, জিলিপি, নাগরদোলা- হরেক কিসিমের জিনিস মেলে রথের মেলায়। সেই মেলার জন্য দীর্ঘদিন ধরে প্রতীক্ষায় থাকেন ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই।

এবার বর্ধমানের কাঞ্চননগর কিংবা আউশগ্রামের দিকনগর, কালনা, পূর্বস্থলী, রায়নার শ্যামসুন্দর-  কোথাও রথের মেলা বসেনি। পসরা সাজাতে পারেননি বিক্রেতারা। তাঁরা বলছেন, লকডাউনের পরও এমনিতেই রুটি রুজি বন্ধ। উপার্জন নেই। রথের মেলায় দোকান দিয়ে কিছু উপার্জন করব এমনটাই আশা করেছিলাম। কিন্তু করোনার সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। এই পরিস্থিতিতে মেলা হওয়া ঠিক নয়। সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। তিন মাস ধরে যে অসহনীয় পরিস্থিতির মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে সেই পরিস্থিতির কবে বদল হবে তা বোঝা যাচ্ছে না।

রথযাত্রা দিনে পূর্ব বর্ধমান জেলায় নামকরা অনেক পুজো কমিটি তাদের মণ্ডপ তৈরির কাজ শুরু করে। বিশেষ পুজো হয়। এবার সেই সব পুজো কমিটির মধ্যে তেমন কোনও আগ্রহ দেখা যায়নি। অনেক পুজো কমিটি বলছে, বড় বাজেটের পুজো, থিমের পুজো এবার করা সম্ভব নয়। এমনিতেই লকডাউনের কারণে অনেকেই সমস্যার মধ্যে দিন কাটিয়েছেন। তার ওপর আমফানে সর্বস্ব হারিয়েছেন বহু মানুষ। তাই পুজোর বাজেট কমিয়ে সেইসব অসহায় বাসিন্দাদের পাশে দাঁড়ানো লক্ষ্য হওয়া উচিত পুজো কমিটিগুলির। করোনার সংক্রমণ কমলে পুজোর আয়োজন হয়তো হবে তবে তা হবে খুব সাধারণ ভাবেই।

Saradindu Ghosh

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: June 23, 2020, 8:54 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर