দক্ষিণবঙ্গ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

গোটা ফলেই পুজো! সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সিদ্ধান্ত বর্ধমানের পুজো কমিটির

গোটা ফলেই পুজো! সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সিদ্ধান্ত বর্ধমানের পুজো কমিটির
ভিড় সামলাতে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করতে বেশি সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক রাখতে হবে৷ এদের জন্য মাস্ক, স্যানিটাইজার, ফেস শিল্ড দিতে হবে৷

উদ্যোক্তারা জানালেন, এবার কোনও রকম প্রসাদ বিতরণ করা হবে না। যাঁরা পুজো দিতে আসবেন তাঁদের গোটা ফল ও ঢাকা দেওয়া পাত্রে পুজো নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

  • Share this:

#মেমারি: বর্ধমানের মেমারির পাল্লারোড পল্লিমঙ্গল সমিতির এবারের পুজোর  থিম সাদায় কালোয়, আলোয় ভালোয়। এবার এখানে প্রতিমা সাবেকি ধাঁচের। করোনার জেরে মণ্ডপ খোলামেলা নাটমন্দিরের আদলের। আলোর কারসাজিতে ফুটে উঠবে সাবেকিয়ানার ঔজ্জ্বল্য।

সদস্যরা জানালেন, পরম্পরা মেনে ষষ্ঠীর দিনই পুজোর উদ্বোধন হবে। দর্শনার্থীদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য মণ্ডপে  কোনও গেট বা ঘেরাটোপ থাকছে না। তিন দিক খোলা বিশাল নাটমন্দিরের আদলে গড়ে ওঠা মণ্ডপে একসঙ্গে শতাধিক পুরুষ মহিলার ঠাকুর দেখার ব্যবস্থা থাকছে। এছাড়া পুজোর সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের জমায়েতের উপর রাশ টানার পাশাপাশি  কিছু বিধি নিষেধ আরোপ করা হচ্ছে।

সামাজিক দূরত্ব মেনে সর্বোচ্চ একশো জন বসে পুজো দেখতে পারবেন। তবে মাস্ক ছাড়া কোনও দর্শনার্থীকে পূজা প্রাঙ্গণে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবেনা। প্রবেশ পথে স্যানেটাইজার দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

উদ্যোক্তারা জানালেন, এবার কোনও রকম প্রসাদ  বিতরণ করা হবে না। যাঁরা পুজো দিতে আসবেন তাঁদের গোটা ফল ও ঢাকা দেওয়া পাত্রে পুজো নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। ব্রাহ্মণ , ঢাকি , প্যান্ডেল কর্মী , আলোকসজ্জা ও অনান্য কর্মী এবং যে সকল স্বেচ্ছাসেবক এইবার পুজো পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন, তাঁদের পুজোর আগে ও পরে বিনামূল্যে কোভিড টেস্টের ব্যবস্থা করা হবে।পুজোর বিসর্জনের শোভাযাত্রাও এবার হবেনা। দ্বাদশীতে মণ্ডপ চত্বর থেকে অনাড়ম্বর ভাবে দিনের বেলায় সেচ খালে প্রতিমা নিরঞ্জন করা হবে।

পুজোর দিনগুলিতে যাতে দরিদ্র পরিবারগুলির আনন্দে কাটে সে ব্যাপারেও পরিকল্পনা নিয়েছে পল্লিমঙ্গল সমিতি। এবার দেড়শো পরিবারের হাতে নতুন জামা কাপড়, খাদ্য সামগ্রী পঞ্চমীর আগে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে তারা। শুধু তাই নয়, পল্লিমঙ্গল সমিতির তরফে আশপাশের দশটি পুজোকে আড়াই হাজার টাকা করে এবং পাঁচটি পুজোকে পাঁচ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। সেজন্য অনলাইনে পুজো কমিটিগুলিকে আবেদন করতে হবে বলে পুজোর উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন।

Saradindu Ghosh

Published by: Debamoy Ghosh
First published: October 6, 2020, 1:49 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर