corona virus btn
corona virus btn
Loading

স্বয়ং রাজ্যপাল সহ উপাচার্যের নিয়োগপত্র তৈরি করেছিলেন, কী বলছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গৌতম চন্দ্র?

স্বয়ং রাজ্যপাল সহ উপাচার্যের নিয়োগপত্র তৈরি করেছিলেন, কী বলছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গৌতম চন্দ্র?
অধ্যাপক গৌতম চন্দ্র

কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আশিস কুমার পানিগ্রাহী বুধবার সকালে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে উপাচার্যের কাছ থেকে সহ উপাচার্যের দায়িত্বভার বুঝে নেন ।

  • Share this:

#বর্ধমান: সহ উপাচার্যের জন্য তাঁর নাম চূড়ান্ত করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা রাজ্যপাল । সেই নিয়োগের নির্দেশিকা পাঠানোও হয়েছিল উচ্চশিক্ষা দফতরে । বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্যের পদে তাঁকেই নিয়োগ করা হচ্ছে বলে খবর পেয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক গৌতম চন্দ্র । সেই নিয়োগকে ঘিরেই নজির বিহীন সংঘাত শুরু হয়েছে রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের । তৈরি হয়েছে আইনি লড়াইয়ের পরিস্থিতি ।

রাজ্য উচ্চশিক্ষা দফতর রাজ্যপালের সেই নির্দেশিকা বাতিল করে পালটা কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যুলজি বিভাগের অধ্যাপক আশিস কুমার পানিগ্রাহীর নামে সহ উপাচার্যের নিয়োগ পত্রের নির্দেশিকা জারি করেছে । সেই নিয়োগ পত্র নিয়ে মঙ্গলবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজবাড়ি ক্যাম্পাসে পৌঁছে সহ উপাচার্যের দায়িত্বভার নিয়েও নিয়েছেন আশিস কুমার পাণিগ্রাহী । ঠিক তখন কী বললেন আচার্য রাজ্যপাল যাঁর নামে নিয়োগ তৈরি করেছিলেন সেই অধ্যাপক গৌতম চন্দ্র?

কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আশিস কুমার পানিগ্রাহী বুধবার সকালে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে উপাচার্যের কাছ থেকে সহ উপাচার্যের দায়িত্বভার বুঝে নেন । ঠিক তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ক্যাম্পাস থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে নিজের বাড়িতে বিভিন্ন গবেষণা পত্রে চোখ বোলাচ্ছিলেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগে অধ্যাপক গৌতম চন্দ্র । তিনি বলেন, "আমি ৩০ বছর ধরে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত । তাই আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই একজন । সেইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক দায়িত্বই সামলাই । সহ উপাচার্যের পদে সাধারণত অভিজ্ঞ ব্যক্তিদেরই বসানো হয় । তেমনই আমার নামে নিয়োগপত্র তৈরি হয়েছিল । তারপর কী হল তা বোধগম্য হয়নি ।"

তবে নিয়োগপত্র হাতে এলে তিনিও সহ উপাচার্যের পদে যোগ দিতে যাবেন বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক গৌতম চন্দ্র। তিনি বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্বভার সামলানোর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা আমার রয়েছে । সেই জন্যই আমি রাজ্য ও রাজ্যের বাইরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদে নিয়োগের আবেদন জানিয়ে আসছি । আমার বায়োডাটা দেখেই রাজ্যপাল, সহ উপাচার্যের জন্য আমাকে যোগ্য বিবেচনা করে নিয়োগপত্র তৈরি করেছিলেন । যোগ্যতার প্রশ্নে আমি যে পিছিয়ে নেই সে চ্যালেঞ্জ আমি করতেই পারি ।"

এদিকে, আচার্য তথা রাজ্যপালের নিয়োগপত্র হাতে এলে তিনি সহ উপাচার্যের পদে যোগ দিতে যাবেন বলেই জানিয়েছেন গৌতম চন্দ্র । তিনি জানিয়েছেন, আশিস কুমার পানিগ্রাহী তাঁর পূর্ব পরিচিত । তাঁদের মধ্যে ব্যক্তিগতস্তরে শ্রদ্ধার সম্পর্ক রয়েছে । আচার্য পদে যোগ দেওয়ার সঙ্গে ব্যক্তিগতস্তরে কোনও সম্পর্ক নেই ।

Saradindu Ghosh

Published by: Shubhagata Dey
First published: June 3, 2020, 6:43 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर