corona virus btn
corona virus btn
Loading

পাকা মাথার কাজ! সোনার ভাণ্ডার চুরি করেই জিপিএস ছুঁড়ে ফেলেছিল দুষ্কৃতীরা

পাকা মাথার কাজ! সোনার ভাণ্ডার চুরি করেই জিপিএস ছুঁড়ে ফেলেছিল দুষ্কৃতীরা
এই অফিসেই হানা দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা।

লুঠের পর দুষ্কৃতীরা মোটর সাইকেলে বর্ধমান শহর পেরিয়ে কৃষক সেতু হয়ে বর্ধমান আরামবাগ রোড ধরে খণ্ডঘোষের দিকে যায়।

  • Share this:

#বর্ধমান: ভল্টে সোনার মধ্যে লুকোনো ছিল জিপিএস ট্যাগ। সোনালি রঙের সেই জিপিএস খুলে রাস্তার ধারে ফেলে দিয়ে নিরাপদ দূরত্বে গা ঢাকা দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। বর্ধমানে স্বর্ণ ঋণ সংস্থায় লুঠপাটের পর প্রাথমিক তদন্তে এমনটাই মনে করছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ।

লুঠের পর দুষ্কৃতীরা মোটর সাইকেলে বর্ধমান শহর পেরিয়ে কৃষক সেতু হয়ে বর্ধমান আরামবাগ রোড ধরে খণ্ডঘোষের দিকে যায়। এরপর তারা একলক্ষ্মী সেতু পার হয়ে হুগলির গোঘাট দিয়ে মেদিনীপুর হয় পাশের রাজ্যে নিরাপদে চম্পট দিয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। বর্ধমান থানার গায়ে এই লুটের ঘটনার কিনারা করতে রাজ্যের অন্যান্য জেলা ও প্রতিবেশী রাজ্যগুলির পুলিশের সাহায্য চাওয়া হয়েছে। ফিঙ্গার প্রিন্ট বিশেষজ্ঞ, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে।

তদন্তের কাজে যুক্ত এক পুলিশ অফিসার বলেন, দুষ্কৃতীরা বেশ পেশাদার বলেই মনে করা হচ্ছে। ভল্টের ভেতর সোনার সঙ্গে জিপিএস ট্যাগ লাগানো থাকে। তাতে ওই জিপিএস অনুসরণ করে দুষ্কৃতীদের গতিবিধি জানা যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে খণ্ডঘোষ পর জিপিএসের আর অন্য কোনও লোকেশন পাওয়া যাচ্ছে না। তাই দুষ্কৃতীরা নিরাপদ দূরত্বে পৌঁছানোর আগেই সেই জিপিএস ট্যাগ খুলে নিয়ে তা রাস্তার ধারে জলাশয়ে ফেলে দেয় বলে অনুমান করা হচ্ছে।  সেই জিপিএস ট্যাগ খুঁজে বার করতেই খণ্ডঘোষের রাস্তার ধারে জলাশয় তল্লাশি চালানো হয়। তবে ওই জিপিএস এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

জেলা পুলিশের অনুমান, দুষ্কৃতীরা পালানোর সময় বেশ কয়েকটি মোটর সাইকেল ব্যবহার করেছে। সবক'টি মোটর সাইকেলে ভুয়ো নম্বর প্লেট লাগানো ছিল। আবার রাস্তায় লুট হওয়া সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার জন্য আলাদা গাড়ির অপেক্ষায় থাকতে পারে। তবে সি সি টিভির ফুটেজ এবং অন্যান্য সূত্র থেকে যেটুকু জানা যাচ্ছে, তাতে তারা বর্ধমান পার করে খণ্ডঘোষ হয়ে গোঘাট এর রাস্তা ধরেছিল বলেই মনে করা হচ্ছে।

তদন্তকারী পুলিশ অফিসাররা মনে করছেন, এই ঘটনার সঙ্গে বাইরের রাজ্যের পেশাদার দল জড়িত রয়েছে। তারা বর্ধমান শহরের রাস্তাঘাটের সঙ্গে নিজেদের ভালোভাবে পরিচিত করে নিয়েছিল। তাই থানা সংলগ্ন জনবহুল এই এলাকাকে অপারেশনের জন্য টার্গেট করতে পিছপা হয়নি তারা।

Published by: Arka Deb
First published: July 19, 2020, 7:44 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर