দূরপাল্লার ট্রেন যাত্রী! বাড়তি ভাড়া দিলেও সংক্রমণের ভয়ে এড়িয়ে যাচ্ছেন গাড়ি চালকরা

দূরপাল্লার ট্রেন যাত্রী! বাড়তি ভাড়া দিলেও সংক্রমণের ভয়ে এড়িয়ে যাচ্ছেন গাড়ি চালকরা

শরীরে করোনার সংক্রমণ থাকতে পারে, এই আশঙ্কায় তাঁদের গাড়িতে তুলতে চাইছেন না অনেক গাড়ি চালক।

  • Share this:

#বর্ধমানঃ বাইরের রাজ্য থেকে ফিরে রেলস্টেশন নেমে বাড়ি ফেরার গাড়ি পাচ্ছেন না অনেকেই। শরীরে করোনার সংক্রমণ থাকতে পারে, এই আশঙ্কায় তাঁদের গাড়িতে তুলতে চাইছেন না অনেক গাড়ি চালক। বাড়তি ভাড়ার টোপ দিয়েও গাড়ি না পেয়ে নাজেহাল হচ্ছেন দূরপাল্লার ট্রেনের অনেক যাত্রীই। বর্ধমান রেলস্টেশনে এমনই অভিজ্ঞতার কথা শোনাচ্ছেন অনেক যাত্রীই। তাঁরা কেউ দিল্লি, কেউ কাশ্মীর থেকে ফিরছেন। অনেকে ফিরছেন এলাহাবাদ বা উত্তর প্রদেশ থেকে। কিন্তু গাড়ি না পেয়ে সমস্যায় পড়ছেন সকলেই।

বর্ধমান রেল স্টেশনেই রয়েছে ট্যাক্সি স্ট্যান্ড। অন্য সময় দূর পাল্লার ট্রেন ঢুকলেই যাত্রী তোলায় কাড়াকাড়ি পড়ে যায়। ডেকে হেঁকে যাত্রী তোলা এই স্টেশনের পরিচিত দৃশ্য। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে পুরোপুরি উলটো ছবি। এখন দূর পাল্লার ট্রেন যাত্রীদের এড়িয়ে চলছেন অনেকেই। তা তিনি করোনা আক্রান্ত এলাকা থেকে আসুন বা না আসুন। ঝুঁকি নিতে চাইছেন না কেউই।

শুধু পূর্ব বর্ধমান জেলা নয়, পাশের বাঁকুড়া, বীরভূম, হুগলির আরামবাগ, মুর্শিদাবাদের অনেক যাত্রীই বর্ধমান স্টেশনে নেমে বাস বা গাড়িতে বাড়ি ফেরেন। যাত্রীরা বলছেন, করোনার জেরে অনেক রুটেই বাস কমে গিয়েছে। যাত্রী না হওয়ায় লোকসান কমাতে অনেক বাসই রাস্তায় নামছে না। আবার করোনা আক্রান্ত হওয়ার আশংকায় গাড়ি ভাড়াও মিলছে না। সপরিবারে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

গাড়ি চালকরা বলছেন, যাত্রী অনেক কমে গিয়েছে। ভাড়া  মিলছে না। তবুও আমরা দূর পাল্লার ট্রেন যাত্রীদের এড়িয়ে চলছি। কার শরীরে ভাইরাস রয়েছে সে নিজেও জানে না। একগাড়িতে দু-তিন ঘণ্টার পথ যাব। আমার শরীরে যে ভাইরাস ঢুকবে না তার নিশ্চয়তা কোথায়! তাই ভাড়া না হলেও প্রাণে বাঁচতে দূরের যাত্রীদের এড়িয়ে যাচ্ছেন অনেকেই। তাঁরা বলছেন, ভাড়া না মেলায় সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু সপরিবারে আগে প্রাণে বাঁচি। তারপর উপার্জনের কথা ভাবা যাবে।

Saradindu Ghosh

First published: March 20, 2020, 11:20 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर