corona virus btn
corona virus btn
Loading

যাত্রী নেই, বর্ধমানে স্ট্যান্ডেই দাঁড়িয়ে থাকল বেসরকারি বাস

যাত্রী নেই, বর্ধমানে স্ট্যান্ডেই দাঁড়িয়ে থাকল বেসরকারি বাস

শুধু জেলার সদর শহর বর্ধমানেই নয়, বেসরকারি বাস না চলায় সমস্যায় পড়তে হয়েছে জেলার অন্যান্য অংশের বাসিন্দাদেরও।

  • Share this:

#বর্ধমান: আশ্বাসই সার। পূর্ব বর্ধমান জেলায় সোমবারও রাস্তায় বেসরকারি বাসের চাকা গড়াল না। বর্ধমানের পূর্বাশা ও উত্তরা বাস স্ট্যান্ডে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকল বেসিরভাগ বেসরকারি বাস। কলকাতা-সহ রাজ্যের কিছু জায়গায় আগেই বেসরকারি বাস পথে নেমেছে। তবে তার মধ্যে ব্যতিক্রম পূর্ব বর্ধমান জেলা। সোমবার থেকে সরকারি অফিস খোলায় বেসরকারি বাস পথে নামবে বলে আশা করা হয়েছিল। সিংহভাগ বাস পথে নামবে বলে আশ্বাসও দিয়েছিলেন বাস মালিকরা। কিন্তু বাস্তবে তা দেখা গেল না। বাস দাঁড়িয়ে থাকলো স্ট্যান্ডেই। স্টপেজে স্টপেজে বাসের অপেক্ষায় থেকে নাকাল হলেন অফিসযাত্রীরা।

শুধু জেলার সদর শহর বর্ধমানেই নয়, বেসরকারি বাস না চলায় সমস্যায় পড়তে হয়েছে জেলার অন্যান্য অংশের বাসিন্দাদেরও। কাটোয়া ও কালনা বাসস্ট্যান্ড থেকে বাস চলেছে দু-একটি। যাত্রী মেলেনি। মেমারি বা গুসকরা বাসস্ট্যান্ড থেকেও সেভাবে বাস ছাড়েনি। জেলার বিভিন্ন রুটের পাশাপাশি বর্ধমান থেকে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, হুগলি, মেদিনীপুরে বাস চলাচল করে।

প্রতিদিন ৬০০ বেশি বাস বর্ধমান শহর ছুঁয়ে যায়।সেই সব বাস চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। তার ফলে অফিস যাওয়ার জন্য সকাল সকাল ঘর থেকে বেরিয়ে নাজেহাল হতে হয়েছে অনেককেই। বাসের আশা ছেড়ে অনেকে মোটর সাইকেলে বা চারচাকা গাড়ি ভাড়া করে অফিসে হাজিরা দিয়েছেন।

বর্ধমানের পূর্বাশা বাস স্ট্যান্ডে এক বাস কর্মীর সঙ্গে কথা হচ্ছিল। তিনি জানালেন, শান্তাশ্রম বর্ধমান রুটে বাস নিয়ে এলাম। মুড়ি খাবার খরচটুকুও ওঠেনি। একদিন বাস রাস্তায় নামা মানে জ্বালানি তেল কর্মীদের বেতন নিয়ে ৩০০০ টাকার বেশি খরচ। সেখানে একবার বাস চললে ৮০-৯০ টাকাও উঠছে না। রাস্তায় যাত্রীর দেখা নেই। তাই বাস নিয়ে রাস্তায় বেরোনোর কোনও উৎসাহ পাওয়া যাচ্ছে না। বর্ধমান জেলা বাস অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা শরৎ কোনার বলেন, বর্ধমান তারকেশ্বর রুটে একটি বাস চলেছে। তবে তাতে যাত্রী ছিল না বললেই চলে। এখনও এলাকার বাসিন্দারা বাইরে বেরোতে চাইছেন না। সে কারণেই বাসে যাত্রী মিলছে না। তাই অনেক বাসই স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছে।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: June 8, 2020, 5:04 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर