Home /News /south-bengal /
সরকারি নির্মান কাজে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে রাজমিস্ত্রির কাজ জানা পরিযায়ী শ্রমিকদের

সরকারি নির্মান কাজে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে রাজমিস্ত্রির কাজ জানা পরিযায়ী শ্রমিকদের

  • Share this:

#বর্ধমান: মহারাষ্ট্র, গুজরাত, দিল্লিতে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন অনেকেই। করোনার সংক্রমনের জেরে লকডাউনে সেই কাজ হারিয়ে অনেক কষ্টে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন ধরে বাড়ি ফিরেছেন অনেকেই। সেইসব শ্রমিকদের জেলার বিভিন্ন সরকারি নির্মাণ কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা নিল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সারা বছরই বিভিন্ন সরকারি নির্মাণ কাজ চলে। জেলাজুড়ে সেই সব কাজে ভিন রাজ্যে রাজমিস্ত্রির কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের লাগানো হবে। এর ফলে বেশ কয়েক হাজার পরিযায়ী শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে।

ইতিমধ্যেই পূর্ব বর্ধমান জেলায় শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে ও নিজেদের উদ্যোগে বাইরের রাজ্যগুলি থেকে প্রায় ২৪ হাজার শ্রমিক জেলায় ফিরেছেন। রাতারাতি লকডাউনের জেরে হঠাৎ করে কাজ হারান তাঁরা। লকডাউনের সময় ছোট্ট আস্তানায় একসঙ্গে অনেক শ্রমিক এক বেলা খেয়ে কোনও রকমে দিন কাটিয়েছেন। অনেকেই বাড়ি ভাড়া দিতে পারেননি। পুলিশের ধরপাকড়ের ভয়ে রাস্তায় নামতে পারেননি। তার ওপর ছিল করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা। চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে লকডাউন কাটিয়ে কোনও রকমে শূন্য হাতে ঘরে ফিরেছেন তাঁরা। সেই অসহনীয় পরিস্থিতির কথা ভেবে আর বাইরের রাজ্যে ফিরে যেতে চাইছেন না অনেকেই। এখানেই পাকাপাকিভাবে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন অনেকেই। ইতিমধ্যেই স্হানীয় প্রশাসনের কাছে কাজেরও আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।

পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী বলেন, ভিন রাজ্য থেকে জেলায় ফিরে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের অনেকেই সেসব রাজ্যে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। এখানে রাজমিস্ত্রির কাজের ভাল চাহিদা রয়েছে। তাছাড়া সারা বছরই জেলা জুড়ে সরকারের উদ্যোগে নির্মাণ কাজ চলে। কার্লভাট তৈরি থেকে শুরু করে সীমানা প্রাচীর তৈরি, গুদাম ঘর তৈরি-সহ সরকারি নির্মাণ কাজগুলিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। জেলার ২১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও ৬টি পুরসভা এলাকা থেকে ইতিমধ্যেই বাইরে থেকে আসা বেশ বাসিন্দাদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই তালিকা ধরে ধরেই রাজমিস্ত্রিদের নির্মাণ কাজে লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন জেলা শাসক।

Saradindu Ghosh

Published by:Ananya Chakraborty
First published:

Tags: Bardhaman, Migrant workers

পরবর্তী খবর