দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

স্কুলের মিড ডে মিলে পোকা ধরা, নোংরা চাল! অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

স্কুলের মিড ডে মিলে পোকা ধরা, নোংরা চাল! অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের
প্রতীকী চিত্র ।

ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ক্যানিং থানা এলাকার ধলির বাটি অঞ্চলে।

  • Share this:

SHANKU SANTRA 

#ক্যানিং: লকডাউনে স্কুল-কলেজ সমস্ত কিছু বন্ধ। যেসব স্কুলে বা শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে মিড -ডে মিলের ব্যবস্থা আছে, সেখানে প্রতিটি শিশুকে দু’কেজি করে চাল ও আলু দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে রাজ্য সরকার। স্কুল বন্ধ থাকার কারণে শিশুদের রান্না করে খাওয়ানোর ব্যবস্থা নেই। সেই সুযোগে কিছু অসৎ শিক্ষক-শিক্ষিকারা ভাল চালের বদলে  পোকা ধরা চাল ও নোংরা চাল শিশুদের বিতরণ করছে, এই অভিযোগ উঠছে। তেমনই এক শিক্ষিকা নোংরা চাল দিতে গিয়ে ধরা পড়ে গেল অভিভাবকদের কাছে। শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিডিওর কাছে অভিযোগ জানালেন অভিভাবকরা।

ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ক্যানিং থানা এলাকার ধলির বাটি অঞ্চলে।  ওই এলাকার কাঁকরা এস এস কে স্কুলের মিড মিলের চাল দিতে আসে স্কুলের শিক্ষিকা কল্পনা মন্ডল। বেশ কয়েকদিন ধরে অভিভাবকদের অভিযোগ ছিল, যে চাল এবং আলু শিশুদের দেওয়া হচ্ছে সে গুলো নিম্নমানের। ৯ জুলাই সকালে ওই শিক্ষিকা স্কুলে এসে অন্যান্য দিনের মতোই শিশুদের ওই নোংরা পোকা ধরা চাল এবং আলু দেন। তারপরই অভিভাবকরা ওই চাল নিয়ে স্কুলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ওই শিক্ষিকা কল্পনা দেবীর বক্তব্য , তার কাছে যে চাল এসেছে সেই চালই দেওয়া হচ্ছে। অভিভাবকরা প্রশ্ন তোলেন, কোথা থেকে চাল আসছে? এরপর ওই শিক্ষিকা সবাইকে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ ।

এ বিষয়ে কাউকে জবাব দেওয়া হবে না বলেও জানায় ওই শিক্ষিকা।  এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা বেশ খানিকক্ষণ দিদিমণিকে স্কুলের ভেতরে আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখান। সেই সময় অভিভাবকরা প্রশাসনিক সাহায্য চাইলে, থানা ঘটনাস্থলে আসতে অসম্মত হয়। তারপর অভিবাবকরা ওই চাল নিয়ে ক্যানিং থানায় যান এবং পুলিশের পরামর্শ মতো ক্যানিং বিডিও অফিসে গিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। পরে ঘটনার সত্যতা জানার জন্য ওই শিক্ষিকার সঙ্গে যোগাযোগ করবার চেষ্টা করলে, তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। ক্যানিং বিডিও অভিযোগ পেয়েছেন বলে স্বীকার করেন। তিনি এও বলেন অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।   শিশুদের চাল নিয়ে দুর্নীতি প্রায়ই প্রকাশ্যে আসছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিশু স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা এই ধরনের অনিয়ম অপরাধের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করছেন সবাই। একই ব্যবস্থা দীর্ঘ বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে। আর সেই অবস্থার শিকার হচ্ছে প্রান্তিক পরিবারের খুদে শিশুরা।

Published by: Simli Raha
First published: July 10, 2020, 7:53 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर