শান্তিনিকেতনে শুরু পৌষমেলা, পরিবেশ আদালতের রায়ে এবার মেলা কত দিনের ?

Poush Mela, Shantiniketan

লাল মাটির দেশে শীতের রোদ গায়ে মেখে বসল পৌষ মেলা।

  • Share this:

    #বীরভূম: ক্যালেন্ডারের পাতায় পৌষ মাসের সাত তারিখ। লাল মাটির দেশে শীতের রোদ গায়ে মেখে বসল পৌষ মেলা। শান্তিনিকেতনে ঐতিহ্যের পৌষমেলা এবার তিনদিনের বদলে ছ’দিন। দূষণের জন্য অন্যতম আকর্ষণ বাজি পোড়ানো বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে মেলার হাতছানি উপেক্ষা করে, এমন সাধ্য বাঙালির নেই। সকাল সাতটায় ছাতিমতলা প্রাঙ্গনে বৈদিক মন্ত্র ও রবীন্দ্র সঙ্গীত দিয়ে শুরু হয় মেলা।

    ৭ পৌষ । ১৮৪৩। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষা নেওয়ার দিনটিতে শুরু করেছিলেন পৌষ মেলা। সেদিনের গ্রাম্য আড়ম্বরহীন মেলা আজ কালের নিয়মে শহুরে, বাণিজ্যিক। শান্তিনিকেতনের ভুবনডাঙার মাঠে ঐতিহ্য মেনেই বসল ১২৩তম পৌষ মেলা। সকাল থেকেই বোলপুরের শান্তিনিকেতনে পৌষমেলার বোল। সকাল সাতটায় ছাতিমতলা প্রাঙ্গনে বৈদিক মন্ত্র ও রবীন্দ্র সঙ্গীত দিয়ে সূচনা উ‍ৎসবের।

    ভুবনডাঙার মাঠে হালকা রোদ গায়ে লেপটে বিকিকিনিতে মজলেন অনেকে। পসরা সাজিয়েছেন দোকানিরা। বিশ্বভারতীর প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা বার বার ফিরে আসেন মেলার টানে। দূষণ রুখতে পরিবেশ আদালতের রায়ে এবার মেলা তিনদিনের নয়, ছ’দিনের। মেলার অন্যতম আকর্ষণ বাজি পোড়ানোও বন্ধ রাখা হয়েছে। মন খারাপ হলেও, মেনে নিয়েছেন আশ্রমিকরা। বিশ্বভারতীর কাছে মেলা পরিচালনা এবার একটা চ্যালেঞ্জই বটে।

    এই ছ’দিন আম্রকুঞ্জ, মেলা প্রাঙ্গন ও শান্তিনিকেতন গৃহে চলবে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উ‍ৎসবও। একদিন বা ছ’দিন যাই হোক। হুজুগে বাঙালি উ‍ৎসব মানেই মাতোয়ারা। পৌষমেলার শুরুর দিনের সকালের ছবিটা তা আরও একবার প্রমাণ করল। জাঁকিয়ে শীত পড়ুক না পড়ুক , মেলায় বেড়ানোর ভিড় কমবে না। তাই আরও পর্যটকের অপেক্ষায় পৌষ মেলা।

    First published: