দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

দরিদ্রদের ভালবাসার পরশ দিয়ে এলাকাবাসীর মন জয় করল বর্ধমানের ক্লাব

দরিদ্রদের ভালবাসার পরশ দিয়ে এলাকাবাসীর মন জয় করল বর্ধমানের ক্লাব

সান্টার হাত থেকে অভাবিত এই উপহার পেয়ে খুশি তারাও।

  • Share this:

#বর্ধমান: গরিব-বড়লোক নির্বিশেষে বড়দিন হোক সকলের। আর তা নিশ্চিত করতেই মানবিক উদ্যোগ নিয়ে বাসিন্দাদের প্রশংসা পেল বর্ধমানের ইছলাবাদকিরণ সংঘ। এই ক্লাবের সদস্যরা নিজেরাই সান্টাক্লজ সেজে উপহার,কেক, বিস্কুট সহ নানান সামগ্রী তুলে দিলেন দরিদ্র, অসহায় ও পথ শিশুদের হাতে। সান্টার হাত থেকে অভাবিত এই উপহার পেয়ে খুশি তারাও। এদিন বর্ধমানের ইছলাবাদ কিরণ সংঘের সদস্যরা শহরের বিভিন্ন বস্তি এলাকা, রাস্তায় ঘুরে ঘুরে অসহায়, দরিদ্র, পথশিশু ও ভবঘুরেদের হাতে কেক, অন্যান্য খাবার তুলে দেন। সকলের সঙ্গে খাবার ভাগ করে নিয়ে বড়দিন পালনের মাধ্যমে ক্লাবের সদস্যরা বড় মনের পরিচয় দিল- এমনটাই অভিমত শহরের বাসিন্দাদের।

'ফিরে আসি বারবার, আমি সান্টা এবার পাঁচবার'।'বড়দিন নিয়ে আসি তোমাদের কাছে, ফুটপাথ ঘেঁষা যত জোনাকিরা আছে - ইছলাবাদ কিরণ সংঘ তোমাদের পাশে'। এই বার্তা নিয়ে বড়দিনে কিরণ সংঘের সান্তাক্লজ হাজির হলো বর্ধমানের বিভিন্ন প্রান্তে। রেল স্টেশন চত্বর, নার্স কোয়ার্টার, বীরহাটা, আলমগঞ্জ সহ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বস্তিবাসী, ফুটপাথবাসী সহ পথশিশুদের কাছে আজ তারা বেশ কিছু সামগ্রী তুলে দিল। বড়দিনের কেক, লেবু, মিষ্টি, বিস্কুট সহ প্যাকেট প্রায় হাজার মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হয় ক্লাবের পক্ষ থেকে। এই কাজ তারা বিগত পাঁচ বছর ধরে করে আসছে। ইছলাবাদ কিরণ সংঘ এই ধরনের সামাজিক কাজে নিজেদের নিয়োজিত করে রাখে সারা বছর ধরেই। করোনা পরিস্থিতির সময়, একটানা লকডাউনের সময় প্রায় তিনমাস ধরে বহু মানুষের মুখে রান্না করা খাবার তুলে ধরেছিল। এমনকি, এই সময় পথ কুকুরদেরও প্রতিদিন রান্না করা খাবার খাইয়ে তারা।

এই উদ্যোগকে শহরের বাসিন্দারা সাধুবাদ জানিয়েছেন। আর যারা এই ভালোবাসার পরশ পেলো তারাও খুব খুশি। ক্লাবের সম্পাদক কাজল চক্রবর্তী এবং সভাপতি পার্থ ধর জানান, এই ধরনের কর্মসূচি বেশ কয়েক বছর ধরেই চালিয়ে আসা হচ্ছে। আসলে বছর শেষের এই সময় আমরা সকলে ভালোভাবে কাটালেও যাদের কেউ নেই সেই সমস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটা ছোট্ট প্রয়াস। আমরা সারাবছর ধরে নানান সামাজিক কাজ করে থাকি এবং আগামী দিনেও এভাবেই সবার পাশে থাকতে চাই।

Published by: Pooja Basu
First published: December 27, 2020, 12:20 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर