Home /News /south-bengal /
Poor Condition of Road || প্রশাসন নির্বিকার, চাঁদা তুলে নিজেরাই রাস্তার কাজ শুরু করল গ্রামবাসীরা

Poor Condition of Road || প্রশাসন নির্বিকার, চাঁদা তুলে নিজেরাই রাস্তার কাজ শুরু করল গ্রামবাসীরা

Poor Condition of Road || যদিও বিডিও শোভন দাস বলেন, "বর্ষা শুরু আগেই এই তিন কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের কাজ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এক মাসের মধ্যে রাস্তার কাজ শেষ করার জন্য পঞ্চায়েতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"

  • Share this:

চাঁদা তুলে নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে রাস্তা মেরামত করলেন গ্রামবাসীরা। জলঙ্গীর ঘোষপাড়া থেকে ঝাউদিয়া পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা। যাতায়াতে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় গ্রামবাসীদের। প্রশাসনকে বারবার জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি। প্রশাসনের থেকে কোনও সুরাহা না মেলায় অবশেষে নিজেরাই চাঁদা তুলে রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করল গ্রামবাসীরা।

আরও পড়ুন: সহপাঠীর মৃত্যুতে ভেস্তে গেল সব প্ল্যান! কান্নায় নীতিশকে বিদায় দিল গোটা স্কুল

জলঙ্গী ব্লকের ঘোষপাড়া থেকে ঝাউদিয়া পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা। অভিযোগ, তারই মধ্যে দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে মানুষকে৷ এমনকি রোগীদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এই রাস্তা দিয়েই। জল জমে রাস্তা পরিণত হয় ডোবায়। প্রায়দিনই ঘটে দুর্ঘটনা। এই রাস্তার দুপাশে রয়েছে ঘোষপাড়া, ফরাজিপাড়া, রায়পাড়া, টলটলি, দয়ারামপুর-সহ বিভিন্ন এলাকার গ্রামবাসীদের বিঘার পর বিঘা চাষের জমি। চাষিরা এই রাস্তা দিয়েই ফসল নিয়ে যান। কিন্তু বর্ষার জল জমে থাকায় সমস্যায় পড়তে হয় চাষিদের। প্রশাসনকে বারবার জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি। তাই প্রশাসনের থেকে কোনো সুরাহা না মেলায় অবশেষে নিজেরাই চাঁদা তুলে রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করল গ্রামবাসীরা।

আরও পড়ুন: সহপাঠীর মৃত্যুতে ভেস্তে গেল সব প্ল্যান! কান্নায় নীতিশকে বিদায় দিল গোটা স্কুল

গ্রামবাসী মহম্মদ আনারুল ইসলাম বলেন, "আমরা বার বার পঞ্চায়েত ও ব্লকে জানিয়েছি কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। কিছুদিন আগেই এই রাস্তায় একটি স্কুলের গাড়ি উল্টে যায়। ছাত্রছাত্রীরা আহত হয়। যাঁরা চাষাবাদ করে তাঁদের এই রাস্তা দিয়েই ফসল নিয়ে যেতে হয়, কিন্তু রাস্তা খারাপ থাকায় অত্যন্ত সমস্যা হয়। চাষিরা জমির ফসল তুলতে পারছেন না রাস্তা খারাপের জন্য। তাই আমরা গ্রামবাসীরা উদ্যোগ নিয়ে রাস্তা তৈরির কাজ শুরু করেছি।" গ্রামবাসী হাফিজুল মণ্ডল বলেন, "এই খারাপ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে আমাদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। বর্ষায় জল কাদায় রাস্তায় বেড়ানো দায় হয়ে ওঠে। তাই উপায় না থাকায় বাধ্য হয়ে আমরা গ্রামবাসীরাই উদ্যোগী হয়েছি৷ এই তিন কিলোমিটার রাস্তা আমরাই মেরামত করব। বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাঁদা তুলে কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। গ্রামের লোকরাই রাস্তার কাজ করছে। তবে ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই রাস্তা মেরামতের ব্যবস্থা করে দিলে আমাদের খুব উপকার হয়।"

যদিও বিডিও শোভন দাস বলেন, "বর্ষা শুরু আগেই এই তিন কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের কাজ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এক মাসের মধ্যে রাস্তার কাজ শেষ করার জন্য পঞ্চায়েতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"

Published by:Rachana Majumder
First published:

Tags: Road

পরবর্তী খবর