corona virus btn
corona virus btn
Loading

স্কুলে পৌঁছতে বারবার গাড়ি বদল, কিন্তু কেন? বিস্ফোরক ঋষভের বাবা

স্কুলে পৌঁছতে বারবার গাড়ি বদল, কিন্তু কেন? বিস্ফোরক ঋষভের বাবা
সংগৃহীত ছবি

সন্তোষ সিংয়ের দাবি, তাড়াতাড়ি স্কুলে পৌঁছে দিতে রিলে পদ্ধতিতে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হত। সেদিনও একই ঘটনা ঘটে।

  • Share this:

#পোলবা: ছেলের মর্মান্তিক পরিণতির জন্য পুলকারের গাফিলতিই একমাত্র দায়ী। বিস্ফোরক দাবি ঋষভের বাবা সন্তোষ সিংয়ের।

পুলকার দুর্ঘটনায় আহত দ্বিতীয় শ্রেণির দুই পড়ুয়ার অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। অতিসঙ্কটজনক ঋষভ সিং। কার্ডিওলজি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়েছে ঋষভকে। কৃত্রিমভাবে হৃদযন্ত্র চালাতে স্থানান্তর করা হয়েছে তাকে। রাতেই ঋষভের অস্ত্রোপচার হয়েছে ৷ কৃত্রিম ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস নিচ্ছে ঋষভ ৷ তার পাঁজরের হাড় ভেঙেছে। ফুসফুসে ঢুকেছে জল-কাদা।

সন্তোষ সিংয়ের দাবি, তাড়াতাড়ি স্কুলে পৌঁছে দিতে রিলে পদ্ধতিতে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হত। সেদিনও একই ঘটনা ঘটে। মাঝপথে চালক ও পুলকার বদল করা হয়। এক নয়, অনেকসময় একাধিকবারও গাড়ি বদল করা হত। ঋষভের বাবা বলেন, দুর্ঘটনার দিন অন্য চালকের গাড়িতে উঠেছিল পড়ুয়ারা। এরপর মাঝরাস্তায় পুলকার ও তার চালক বদল হয়। তাঁর দাবি, দুর্ঘটনার দিন ধৃত চালকের গাড়িতে ওঠেইনি বাচ্চারা। পড়ুয়ারা উঠেছিল শামিম আখতারের গাড়িতে। কিন্তু দুর্ঘটনার কবলে পড়ে পবিত্র দাসের পুলকার। ইতিমধ্যেই পুলকার চালককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

কিন্তু বারবার গাড়ি বদল কেন করা হত তা নিয়ে অবশ্য রহস্য দানা বাধতে শুরু করেছে। পারমিট নিয়ে কোনও সমস্যা রয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আর এই গাড়ি বদলের ফলে দেরী হয়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনা কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে, হাসপাতাল সূত্রে খবর, আরেক আহত ছাত্র দিব্যাংশু ভকতের মাথায় জমাট বেঁধেছে রক্ত। দু'জনই এসএসকেএমে ভর্তি। দুই ছাত্রকেই ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ঋষভের রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কম রয়েছে। সেক্ষেত্রে এখনই অস্ত্রোপচার সম্ভব নয়। ফোন করে দুই ছাত্রের খোঁজ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ৭ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে ঋষভকে ৷ দিব্যাংশু ভকত এখনও ভেন্টিলেশনে ৷ রাতেই দুই পড়ুয়াকে দেখতে এসএসকেএম-এ যান মেয়র ফিরহাদ হাকিম ৷

Published by: Shubhagata Dey
First published: February 15, 2020, 1:05 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर