Home /News /south-bengal /

Birbhum : পাথর ভাঙায় ব্যস্ত কচিকাঁচাদের খুদে হাতে বই তুলে দিতে অভিনব উদ্যোগ পুলিশের

Birbhum : পাথর ভাঙায় ব্যস্ত কচিকাঁচাদের খুদে হাতে বই তুলে দিতে অভিনব উদ্যোগ পুলিশের

কিশোরদের বইমুখী করতেই পুলিশের অভিনব উদ্যোগ 'পাঠশালা'

কিশোরদের বইমুখী করতেই পুলিশের অভিনব উদ্যোগ 'পাঠশালা'

কিশোরদের বইমুখী করতেই বীরভূমে (Birbhum) পুলিশের অভিনব উদ্যোগ 'পাঠশালা'।

  • Share this:

সিউড়ি : বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ঘরে অভাব। তাই পাথর খাদান এলাকায় পাথর ভাঙার কাজে হাত লাগাচ্ছে  কিশোররা । এ বার সেই কিশোরদের বইমুখী করতেই বীরভূমে (Birbhum) পুলিশের অভিনব উদ্যোগ 'পাঠশালা' (Pathshala)। পাশাপাশি, খেলার জন্য 'উড়ান টু জিরো' প্রকল্প চালু করল জেলা পুলিশ প্রশাসন । সঙ্গে প্রাক শারদীয়ায় 'স্পর্শ' প্রকল্পের মাধ্যমে তুলে দেওয়া হল নতুন বস্ত্র।

মহম্মদবাজার থানার হরিনশিঙা ফুটবল খেলার মাঠে পুলিশের এই সামাজিক প্রকল্পের উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়,জেলা সভাধিপতি তথা বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী, মেন্টর তথা বিধায়ক অভিজিৎ সিংহ,  জেলা পুলিশসুপার নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠী-সহ অন্যান্যরা । আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "শিক্ষার বিকাশ না হলে সচেতনতা আসবে না । তাই আদিবাসী সমাজকে শিক্ষিত করে তাদের বিকাশের পথ দেখাতে হবে ।" পুলিশ সুপার নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠির কথায়, "শিক্ষার পাশাপাশি আদিবাসী সমাজে সাংস্কৃতিক বিকাশ দরকার।" তাই এলাকার সব নাচের দলকেই ধামসা-মাদল দেওয়া হল পুলিশের পক্ষ থেকে । সঙ্গে চালু করা হল চার বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের বাড়ির এলাকায় পাঠশালা । সেই পাঠশালায় পাঠ দেবে পুলিশের লোকেরা । মহম্মদবাজার পুলিশের পক্ষ থেকে গত মাসেই চালু হয়েছে উড়ান প্রকল্প ।

আদিবাসী ছেলেমেয়েরা, সরকারি চাকরি থেকে চিকিৎসা, ইঞ্জিনিয়ারিং-সহ নানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যাতে সাবলীল হতে পারেন, তার জন্য চলছে কম্পিউটর থেকে নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ। কিন্তু পুলিশের উপলদ্ধিতে বড়দের পাশাপাশি ছোটরাও গৃহবন্দি,  তাদেরও শিক্ষাগ্রহণ বন্ধ । তাই তাদের জন্য খোলা হল এলাকায় ‘পাঠশালা’। মথুরাপাহাড়ি , দেওয়ানগঞ্জ ও হরিনশিঙায় চলবে এই পাঠশালা। দরকারে পাঠশালার সংখ্যা আরও বাড়বে।

আরও খবর : বিষ দিয়ে পুকুরের মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ, ব্যবসায়ীর ক্ষতি লক্ষাধিক টাকার

রবিবার একটি নামী সংস্থা এসে খাদান এলাকার মানুষের চক্ষু ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছে । সরকারি আইনজীবী মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কৃষি ও শিল্পের বিকাশে আদিবাসীদের অগ্রগতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা করে চলেছেন তা ইতিহাস হয়ে থাকবে।’’ উল্লেখ্য এ দিন ফুটবল মাঠে আদিবাসীদের রঙিন পোশাকে, নাচের আনন্দে মেতে উঠতে দেখে মহম্মদবাজার থানার আই সি মহম্মদ আলি জেলা প্রশাসনের কাছে দাবি রাখেন, ‘‘আদিবাসীদের প্রিয় খেলা ফুটবল । এলাকার বেশিরভাগ খেলা এই মাঠে হয়। যদি এখানে একটা গ্যালারি করা যায়, খুব ভাল হয়।’’

আরও খবর : সঙ্গতিহীন উত্তরেই দিশা, মানসিক ভারসাম্যহীন ভবঘুরে মহিলা ফিরে গেলেন তাঁর নিজের ঘরে

আদিবাসী সমাজের রবীন সোরেনের অবশ্য দাবি, ‘‘সবার আগে দরকার মাঠে কয়েকটা শৌচাগার। না হলে খুব অসুবিধা হয়।’’ এই অনুষ্ঠানে পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকার ৬ টি ক্লাবকে ফুটবল ও খেলার সরঞ্জাম দেওয়া হয় ও তিনটি ফুটবল প্রশিক্ষণ শিবির খোলা হয় ।

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published:

Tags: Birbhum, Suri

পরবর্তী খবর