corona virus btn
corona virus btn
Loading

সদ্যোজাত পাচারের তদন্তে ধৃত দম্পতিকে নিয়ে নার্সিংহোমে পুলিশ

সদ্যোজাত পাচারের তদন্তে ধৃত দম্পতিকে নিয়ে নার্সিংহোমে পুলিশ
নিজস্ব চিত্র ৷
  • Share this:

SARADINDU GHOSH #বর্ধমান: সুস্থ সন্তান প্রসব করলেও প্রসূতিকে দেখানো হত মৃত সদ্যোজাত। আসল সন্তান তখন মোটা টাকায় বিক্রি হয়ে যেত অন্য মহিলার কোলে। বর্ধমানে নার্সিংহোম থেকে শিশু পাচারের তদন্তে নেমে ধৃত টেকনিসিয়ানকে জেরা করে এমন ইঙ্গিতও পাচ্ছে পুলিশ।

জেলা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, তদন্তে সব সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সদ্যোজাত কেনায় ধৃত দম্পতিকে নিয়ে এদিন বিকেলে বর্ধমানের লাইফ লাইন নার্সিংহোমে যায় পুলিশ। নার্সিংহোমের প্রতিটি কর্মী নার্সকে আলাদা আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ঘটনার দিনের কথাও জানতে চাওয়া হয় তাদের কাছে। নার্সিংহোমের রেজিস্টারও মিলিয়ে দেখেন তদন্তকারী অফিসাররা। সেখানে দেখা গিয়েছে, কাটোয়ার পানুহাটের দীঘির পাড়ের বাসিন্দা প্রদীপ বিশ্বাসের স্ত্রীর এই নার্সিংহোমে অস্ত্রপচার হয়েছিল ২৮ জুন। সেদিন তিনি আড়াই কেজি ওজনের কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। প্রসূতি সাজিয়ে ভর্তি রেখে দুদিন পর তাঁকে কন্যা সন্তান দেওয়া হয় বলে পুলিশের কাছে আগেই স্বীকার করেছেন অনুশ্রী বিশ্বাস ও তাঁর স্বামী। পুলিশ ওই নথী বাজেয়াপ্ত করেছে। এই তথ্য ঘটনায় নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের জড়িত থাকার মূল্যবান প্রমাণ বলে মনে করছে পুলিশ।

NURSINGHOME 02 পুলিশ সূ্ত্রে জানা গিয়েছে, হাসপাতাল ও নার্সিংহোম থেকে মৃত সদ্যোজাতের দেহ এনে তা দেখিয়ে সুস্থ শিশু পাচার করা হতো কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেজন্য নার্সিংহোমের পরিকাঠামো ও সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নার্সিংহোম থেকে সদ্যোজাত শিশুকন্যা পাচারের এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে জেলা স্বাস্থ্য দফতরও। শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য দফতরের তদন্তকারী দল লাইফ লাইন নার্সিংহোমে তদন্তে যায়। সোমবার জেলা স্বাস্থ্য দফতরে সেই তদন্তের রিপোর্ট জমা পড়ার কথা। ২৬ থেকে ২৮ জুনের মধ্যে শিশু বিক্রি হয়েছিল বলে অভিযোগ। তার আগে ও পরের যাবতীয় তথ্য নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষকে জমা দিতে বলেছে স্বাস্থ্য দফতর।

তবে এদিনও নার্সিংহোমের অন্যতম মালিক তথা চিকিত্সক মোল্লা কাশেম আলির হদিশ মেলেনি। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকেই তিনি নিরুদ্দেশ রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। ওই ডাক্তারকে খুঁজছে পুলিশ। এদিন পুলিশ পৌঁছনোর আগেই নার্সিংহোমের পক্ষ থেকে ডাক্তারদের নাম লেখা বোর্ড সরিয়ে নেওয়া হয়।

Published by: Simli Raha
First published: December 14, 2019, 10:35 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर