ভবঘুরেদের পাতে মাংস ভাত! দুর্দিনে ত্রাতার ভূমিকায় পুলিশই

ভবঘুরেদের পাতে মাংস ভাত!  দুর্দিনে  ত্রাতার ভূমিকায় পুলিশই
ভবঘুরেদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল পুলিশ

গোটা রাজ্যের মানুষ লকডাউনের জেরে গৃহবন্দিয জরুরি পরিষেবা কেন্দ্রগুলি ছাড়া সমস্ত কিছুই বন্ধ। কিন্তু গলসির রাস্তায় ঘুরে বেড়ায় প্রচুর ভবঘুরে , তাদের কথা ভাবকে কে?

  • Share this:

#বর্ধমান: রাজ্য জুড়ে লক ডাউন। হোটেল খাবারের দোকানগুলিও বন্ধ। বন্ধ পাড়ার মোড়ের চায়ের দোকানগুলিও। ফলে জরুরি প্রয়োজনে পথে বেরিয়ে সমস্যায় অনেকেই। অনেকের পারিবারিক আত্মীয় রয়েছেন হাসপাতালে, নার্সিংহোমে। সেই সব রোগীর আত্মীয় পরিজনরা খাবার না পেয়ে সমস্যায়। অনেকে বাড়ি থেকে আনা জল বিস্কুট শুকনো খাবারে কাজ চালাচ্ছেন। তবে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় ভবঘুরেরা। খাবার না পেয়ে অনাহারে দিন কাটাচ্ছিলেন তাঁরা। তাদের পেট ভরাতেই এগিয়  এলো পুলিশ। পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার পুলিশের উদ্যোগে ভবঘুরেদের জন্য দু বেলা দু মুঠো খাবারের ব্যবস্থা হল।

গোটা রাজ্যের মানুষ লকডাউনের জেরে গৃহবন্দিয জরুরি পরিষেবা কেন্দ্রগুলি ছাড়া সমস্ত কিছুই বন্ধ। কিন্তু গলসির রাস্তায় ঘুরে বেড়ায় প্রচুর ভবঘুরে , তাদের কথা ভাবকে কে?। অন্য সময়ে বিভিন্ন দোকান বা হোটেল থেকে তাদের অল্প কিছু খাবার দেন দোকানদারেরা বা স্থানীয় কেউ কেউ। কিন্তু এখন সব বন্ধ। তাই তাদের কথা চিন্তা করে উদ্যোগ নিলেন গলসি থানার ওসি দীপঙ্কর সরকার। তিনি ভবঘুরেদের খাবারের ব্যবস্থা করলেন। থানার পুলিশ ভ্যানে খাবার তুলে  পুলিশ কর্মী  ও সিভিক ভলেন্টিয়াররা খাবার নিয়ে গলসি বাজার, চৌমাথা, গলসি স্টেশন সহ গলসির বিভিন্ন যায়গায় ভবঘুরেদের হাতে রাতের খাবার তুলে দিলেন। সে খাবার আজ রাজভোগের থেকে কম মূল্যবান নয়।  ভাত,ডাল, সঙ্গে আবার মাংস।

তবে শুধুই উদরপূর্তি নয়, মানা হল স্বাস্থ্যবিধিও। খাবার দেওয়ার আগে হ্যান্ড স্যানিটাইজার  দিয়ে তাদের হাত পরিষ্কার করে দেওয়া হয়। গলসি পুলিশের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পুলিশ জানিয়েছে, এখন রোজ যাতে দু'বেলা ভবঘুরেদের খাবার দেওয়া যায় সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। অনেকে আগ বাড়িয়ে এসে চাল ডাল আলু দিয়ে সহযোগিতা করতে চাইছেন।

First published: March 26, 2020, 10:59 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर