হোম /খবর /দক্ষিণবঙ্গ /
হচ্ছে ইসিজিও! ফোন করলেই বাড়িতে ওষুধ পৌঁছে দিচ্ছে এই থানার পুলিশ

হচ্ছে ইসিজিও! ফোন করলেই বাড়িতে ওষুধ পৌঁছে দিচ্ছে এই থানার পুলিশ

এই পরিষেবা দেওয়ার জন্য বর্ধমান থানার পক্ষ থেকে দুটি হোয়াটস অ্যাপ নম্বর চালু করা হয়েছে।

  • Share this:

#বর্ধমান:   লক ডাউনে বাড়িতে মজুত ওষুধ শেষ।বাইরে বেরলে আবার করোনা সংক্রমণের আশংকা। কি করবেন ভাবছেন? এক ফোনেই পেয়ে যাবেন আপনার পছন্দের ওষুধ। ফোন করতে হবে বর্ধমান থানার দুটি বিশেষ ফোন নম্বরে। হোয়াইট অ্যাপে প্রেসক্রিবশনের ছবি দিয়ে কোন ওষুধ কতগুলি প্রয়োজন তা লিখে জানালেই বাড়িতে ক্যাশমেমো সহ ওষুধ পৌঁছে দিচ্ছে পুলিশ। লক ডাউনে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামালে বাসিন্দাদের জন্য এই পরিষেবা চালু করল বর্ধমান থানার পুলিশ। আজ বুধবার থেকে শুরু হয়েছে এই পরিষেবা। বর্ধমান শহরের পঁয়ত্রিশটি ওয়ার্ডের বাসিন্দারাই এই পরিষেবা পাবেন।

শুধু ওষুধ নয়। হঠাৎ পরিবারের কারও বুকে ব্যথা হচ্ছে। এখনই একটা ইসিজি করা প্রয়োজন। এই লক ডাউনে কোথায় যাবেন, কিভাবে যাবেন ভেবে পাচ্ছেন না। ফোন পাওয়া মাত্র ইসিজি মেশিন, টেকনিসিয়ান সহ  বাড়িতে হাজির হবে বর্ধমান থানার পুলিশ। রক্ত, মল, মূত্র কফ সহ যে কোনও প্যাথোলজিক্যাল পরীক্ষার জন্যও আপনি বর্ধমান থানার পুলিশের সাহায্য পাবেন। প্যাথোলজিক্যাল কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হবে। পরীক্ষার পর রিপোর্ট বাড়িতে পৌঁছে দেবে পুলিশ। এই পরিষেবা দেওয়ার জন্য বর্ধমান থানার পক্ষ থেকে দুটি হোয়াটস অ্যাপ নম্বর চালু করা হয়েছে। নম্বর দুটি হল- 9832432474 এবং 8918440664

কয়েক দিন আগে এভাবে বাড়ি বাড়ি ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার পরিষেবা চালু করেছিল মেমারি থানার পুলিশ। এবার তা আরও বড় করে শুরু করল বর্ধমান থানার পুলিশও।  পুলিশ অফিসাররা বলছেন, অনেক বাড়িতে শুধু বয়স্ক দম্পতি রয়েছেন। তাঁদের পক্ষে এই পরিস্থিতিতে ওষুধ আনতে বের হওয়া সমস্যার। আবার অনেক পরিবারের কিছু ব্যক্তি রয়েছেন যাঁদের নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করাতে হয়। তাঁরা এই উদ্যোগে বিশেষ উপকৃত হবেন। বাসিন্দাদের বলা হচ্ছে, হোয়াইট অ্যাপ নম্বরে প্রথমে প্রেসক্রিবশনের ছবি তুলে পাঠাতে হবে। এরপর কোন ওষুধ কতগুলি প্রয়োজন সেটা লিখে দিতে হবে। এরপর ওই নম্বরে ফোনে যোগাযোগ করতে হবে। তারপরই ক্যাশমেমো সহ বাড়িতে পৌঁছে যাবে ওষুধ।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published:

Tags: Burdwan, Corona Virus, Lockdown, Medicine, Police delivering Medicine