‘‘পাঁকে গেঁথে আছে আরও এক শিশু, চালক এটা আগে জানালেই বাঁচানো যেত ঋষভকে,’’ আক্ষেপ উদ্ধারকারীদের

‘‘পাঁকে গেঁথে আছে আরও এক শিশু, চালক এটা আগে জানালেই বাঁচানো যেত ঋষভকে,’’ আক্ষেপ উদ্ধারকারীদের

আক্ষেপ বুকাই ও রূপা সোরেনের। দুর্ঘটনার দিন নয়ানজুলিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে শিশুদের উদ্ধার করেন তাঁরা।

  • Share this:

#পোলবা: পোলবায় দুর্ঘটনার পরপরই যদি চালক বলতেন, পাঁকে গেঁথে আছে আরও এক শিশু, তাহলে হয়তো আরেকটু আগে তোলা যেত ঋষভকে। শুরু করা যেত চিকিৎসা। হয়ত ছোট্ট ফুলটা অকালে ঝরে যেত না। আক্ষেপ বুকাই ও রূপা সোরেনের। দুর্ঘটনার দিন নয়ানজুলিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্ঘটনাগ্রস্ত শিশুদের উদ্ধার করেন তাঁরা। ঋষভের মৃত্যুর পর কান্নায় ভেঙে পড়েছেন দু’জনেই।

দিল্লি রোডের পাশে একটি নয়ানজুলিতে গিয়ে পড়ে পুলকার। কাদা-জলে গেঁথে যায় খুদে পড়ুয়ারা। বুকাই আর রূপা সোরেনই সেদিন সব শিশুকে বাঁচিয়েছিলেন ৷ দুর্ঘনাস্থলের পাশে ঝুপড়িতেই থাকেন তাঁরা। এঁরাই ঠান্ডার মধ্যে উদ্ধার করে শিশুদের। কাঠ জ্বালিয়ে তাপ দেয়। পুলিশকে ডাকে। বুকাইয়ের আক্ষেপ, ‘‘চালক যদি আরেকটু আগে বলত, তাহলে কাজটা তাড়াতাড়ি হত। চালকের উদাসীনতা, গাফিলতিতে হাজারো চেষ্টা করেও পারলাম না। চালক ঠিক বলতে পারেনি। ও শুধু হাঁপুস নয়নে কাঁদছে ৷ ভিতরে বাচ্চা আছে। প্রথমেই যদি বলত। তাহলে আরও ভাল হত ৷ উদ্ধার করতে যখন নামলাম আমরা, তখন দেখি গাড়ি পাঁকের ভিতরে। চালক সেটা বলতেই পারেনি। একবার বলছে ১২টা, একবার বলছে ১৩টা।যন্ত্রণাকে সঙ্গী করেই বিপদে পড়লে লড়াই করবেন। চালক পবিত্র দাস আগে জানালে এই পরিণতি হত না।’’

First published: February 22, 2020, 5:53 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर