corona virus btn
corona virus btn
Loading

লোকালয়ে বেরিয়ে আসছে বিষধর চন্দ্রবোড়া! আতঙ্কিত বাসিন্দারা ! চিন্তায় বিশেষজ্ঞরা !

লোকালয়ে বেরিয়ে আসছে বিষধর চন্দ্রবোড়া! আতঙ্কিত বাসিন্দারা ! চিন্তায় বিশেষজ্ঞরা !

বর্ধমানে করোনার মাঝেই নতুন আতঙ্ক হিসেবে দেখা দিয়েছে চন্দ্রবোড়া।

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমানে করোনার মাঝেই আতঙ্ক হিসেবে দেখা দিয়েছে চন্দ্রবোড়া। প্রতিদিনই লোকালয়ে বেরিয়ে আসছে বড় বড় বিষধর চন্দ্রবোড়া। শহরে এই সাপ এতো বেড়ে যাওয়ায় অবাক বন দফতরও। তবে তার কারণ কি তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রতিদিনই শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিষধর সাপ ধরার ডাক আসছে। সাপ উদ্ধার করতে গিয়ে বনকর্মীরা দেখছেন বেশিরভাগই চন্দ্রবোড়া। বন দফতরের আধিকারিকরা বলছেন, সাপ দেখা মাত্র মেরে ফেলার প্রবণতা এখন অনেকটাই কমেছে। সে জন্যই আমরা এতো বেশি ফোন পাচ্ছি। বাসিন্দারা সচেতন হয়েছেন এটা ভালো দিক। তবে চন্দ্রবোড়া সাপের বংশ বৃদ্ধি অনেকটা বেড়ে যাওয়া দেখে আমরা অবাক হচ্ছি।

বনদফতরের এক আধিকারিক জানালেন, উদ্ধার হওয়া সাপগুলির বেশিরভাগই পরিণত। তারা তিন চার ফুট পর্যন্ত লম্বা। শীতকালেও এমন অনেক সাপ উদ্ধার হয়েছে। মার্চ ও এপ্রিল মাসে প্রতিদিনই চন্দ্রবোড়া উদ্ধার হচ্ছে। এক একদিনে তিনটে সাপও উদ্ধার হচ্ছে। শীতকালে শীতঘুমের কারণে সাপ দেখা যায় না। শীতকালেও চন্দ্রবোড়া উদ্ধারে আমরা অবাকই হচ্ছিলাম। এখন গরমে এই সাপ উদ্ধার হওয়া প্রতিদিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গত মার্চ মাসে কেবলমাত্র বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগর, বোরহাট, লাকুড্ডি, রথতলা, মালির বাগান, গোদা, নবাবহাট এলাকা থেকেই প্রায় ৩০-৩৫টি বড় চন্দ্রবোড়া সাপ উদ্ধার হয়েছে। যেখানে এই বিষধর সাপ উদ্ধার হচ্ছে সেই এলাকায় আরও সাপ থাকতে পারে ভেবে এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। তাঁরা সাপ তাড়াতে নিয়মিত বাড়ির চারপাশে কার্বলিক অ্যাসিড ছড়াচ্ছেন। বনদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সাপ ধরার বিশেষ ধরণের ক্যাচার  বনকর্মীদের হাতে আসায় সাপ উদ্ধারে এখন কিছুটা সুবিধা হয়েছে। বনকর্মীরা এখন ক্যাচার নিয়ে তৈরিই থাকছেন ফোন আসামাত্র  চন্দ্রবোড়া সাপ ধরতে যাওয়ার জন্য। তাঁরা জানিয়েছেন, এমন দিনও গেছে যেদিন তাঁদের একসঙ্গে তিনটি সাপও উদ্ধার করতে হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সাপগুলিকে আউশগ্রামের জঙ্গলে ছেড়ে আসা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নভেম্বর ডিসেম্বর মাসে চন্দ্রবোড়া সাপের মিলন হয়। এই সময় চন্দ্রবোড়া সাপের বাচ্চা হওয়ার সময়। এই সময় তারা জলাশয়ের কাছাকাছি বা স্যাঁতসেঁতে, জঙ্গল এলাকাকে নিরাপদ হিসাবে বেছে নিতে চায়। এই সময় রাস্তায় যান চলাচল কম। শুনশান চারপাশ। যান চলাচল না হওয়ায় মাটিতে কম্পন কম হচ্ছে। সেজন্য হয়তো লোকালয়ে বেরিয়ে আসছে সাপগুলি। তবে তাদের মেরে না ফেলে উদ্ধারের জন্য  বন দফতরে খবর দেওয়া তারিফ করার মতো।

SARADINDU GHOSH

Published by: Piya Banerjee
First published: April 9, 2020, 4:24 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर