Home /News /south-bengal /

Weekend Trip: চুপ করে জেগে থাকে 'চুপি-চর', কলকাতা থেকে যেতে মাত্র আড়াই ঘণ্টা

Weekend Trip: চুপ করে জেগে থাকে 'চুপি-চর', কলকাতা থেকে যেতে মাত্র আড়াই ঘণ্টা

নিজস্ব চিত্র

নিজস্ব চিত্র

Weekend Trip Near Kolkata: পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলীর কাষ্ঠশালী গ্রামেই আছে অশ্বক্ষুরাকৃতি এই জলাভূমি। পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে গঙ্গা। তা থেকেই এই জলাভূমির উৎপত্তি।

  • Share this:

#পূর্বস্থলী: বড় আশা জাগিয়ে এসেছিল। দু দিন স্থায়ী হতে না হতেই সেই শীতের দাপট কমেছে অনেকটাই। তাকে সঙ্গী করেই বড়দিনের মধ্য দিয়ে শুরু হতে চলেছে উৎসবের মরশুম। শীত মানেই ঘরের বাইরে বেরিয়ে পড়া। বড়দিন মানেই পার্ক স্ট্রিট, চার্চ, চিড়িয়াখানার পাশাপাশি কাছে পিঠে প্রকৃতির মাঝে কাটানোর দিন। তাই ভ্রমণ পিপাসুদের তৃপ্তি দিতে তৈরি পূর্ব বর্ধমানের চুপি চর।

আরও পড়ুন: সুব্রত মুখোপাধ্যায় তখন মেয়র, মমতা ফিরে গেলেন নিজাম প্যালেসের সেই ৩ দিনের ঘটনায়...

এখানে আছে শীতের সোনা রোদ পিঠে নিয়ে নীল জলে ভেসে বেড়ানোর আমোদ। রয়েছে ফুলে সাজানো অপার মুগ্ধতা। রয়েছে চোখ জড়ানো সতেজ সবুজ। আর রয়েছে হাজারে হাজারে পরিযায়ী পাখির দল। নৌকোয় ভেসে মিশে যান পরিযায়ী পাখিদের ভিড়ে। সঙ্গে থাকুক বন ভোজনের আনন্দ। তাই এবার অনেকেরই বড়দিনের ডেস্টিনেশন চুপি চর।

চুপিচরের পাড়ে। চুপিচরের পাড়ে।

পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলীর কাষ্ঠশালী গ্রামেই আছে অশ্বক্ষুরাকৃতি এই জলাভূমি। পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে গঙ্গা। তা থেকেই এই জলাভূমির উৎপত্তি। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে এটি ছাড়ি গঙ্গা। শীতকালে হাজার হাজার পরিযায়ী পাখি সুদূর সাইবেরিয়া থেকে এখানে এসে সংসার পাতে। পাখি দেখার সবথেকে ভাল সময় ভোর ও বিকালে। একটি নৌকা ভাড়া করে বেড়িয়ে পড়লেই হল। নৌকো ভাড়া ঘণ্টায় ১৫০ টাকা। এক সঙ্গে চার জন ওঠা যায় নৌকাতে। নানা রঙের নানা আকারের পাখি দেখতে দেখতে সময় কেটে যাবে নিমেষে।

আরও পড়ুন: সামনের বছর ১০ দিন আগে থেকে দুর্গাপুজো উদযাপন, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতা হাওড়া কাটোয়া লোকালে পূর্বস্থলী ষ্টেশনে নেমে সহজেই চুপি চরে যাওয়া যায়। ট্রেনে সময় লাগবে প্রায় আড়াই ঘণ্টা। ষ্টেশন থেকে মিলবে টোটো।পাঁচ  কিলোমিটার দূরেই চুপির চর।থাকার জন্য আছে পঞ্চায়েত সমিতির পরিযায়ী আবাস।  এছাড়াও জলাভূমির পাশেই চারটি বেসরকারি কটেজ রয়েছে।

যেখানে থাকবেন যেখানে থাকবেন

এখান থেকে ঘুরে আসা যায় নবদ্বীপ মায়াপুর। কাছেই কাঠিয়াবাবার আশ্রম, কপিলমুনির আশ্রম। ঘুরে আসতে পারেন কাঠের পুতুলের গ্রাম নতুন গ্রামে। একটু খুঁজলেই পেয়ে যাবেন টাটকা খেঁজুর গুড়। পথের ধারেই রয়েছে শিশিরে ভেজা মিষ্টি মটরশুঁটি। তাহলে আর দেরি কেন, চলুন এবার বেরিয়ে পড়া যাক।

শরদিন্দু ঘোষ 

Published by:Uddalak B
First published:

Tags: Travel

পরবর্তী খবর