Home /News /south-bengal /
Shivaratri 2022: অগণিত ভক্তের ভিড়ে উৎসবমুখর বর্ধমানের একশো আট শিব মন্দির 

Shivaratri 2022: অগণিত ভক্তের ভিড়ে উৎসবমুখর বর্ধমানের একশো আট শিব মন্দির 

বর্ধমানের একশো আট শিব মন্দিরে ভক্তদের ভিড়৷

বর্ধমানের একশো আট শিব মন্দিরে ভক্তদের ভিড়৷

বর্ধমানের মহারানি বিষণকুমারী বর্ধমানের এই নবাবহাটে ১০৮ শিবমন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই মন্দিরের নির্মাণ শুরু হয়েছিল ১৭৮৮ খ্রিস্টাব্দে (Shivaratri 2022)।

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমানের (Burdwan) একশো আট শিব মন্দিরে। করোনার সংক্রমণ একেবারেই কমে যাওয়ায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু পুণ্যার্থী শিবরাত্রির (Shivaratri 2022) পুজো দিতে মন্দির চত্বরে ভিড় করেছেন।এসেছেন ভিন রাজ্যের ভক্তরাও। দিনভর অগণিত ভক্তের ভিড়ে উৎসবমুখর ইতিহাস প্রাচীন এই মন্দির চত্বর। অনেকেই এখানে একশো আট মন্দিরে ঢুকে শিবলিঙ্গে জল ঢেলে ব্রত পালন করছেন। শিবরাত্রি উপলক্ষে মেলা বসেছে মন্দির চত্বরে। মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ বাহিনী।

বর্ধমানের মহারানি বিষণকুমারী বর্ধমানের এই নবাবহাটে ১০৮ শিবমন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই মন্দিরের নির্মাণ শুরু হয়েছিল ১৭৮৮ খ্রিস্টাব্দে। শেষ হয়েছিল ১৭৯০ খ্রিস্টাব্দে। সেই সময় বর্ধমান সংলগ্ন নবাবহাট এলাকায় মহামারি দেখা দিয়েছিল। বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। স্বজনদের হারিয়ে শোকে মুহ্যমান হয়ে গিয়েছিলেন এই এলাকার বাসিন্দারা। এলাকায় মন্দির গড়ে বাসিন্দাদের ঈশ্বরমুখী করে তাঁদের শোক ভোলাতে চেয়েছিলেন বর্ধমানের মহারানি।

আরও পড়ুন: বাড়িতে মহাশিবরাত্রি পুজো করলে কী কী উপকরণ প্রয়োজন হবে? কোন প্রহরে কোন উপকরণে পুজো করবেন?

সেই ভাবনা থেকেই নবাবহাটে এই একশো আট শিব মন্দির গড়েন তিনি। মহা আড়ম্বরে সেই মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়। জপমালার আদলে ১০৮ টি এবং অতিরিক্ত আর একটি, মোট ১০৯ টি স্থাপত্যকে গেঁথে প্রতিষ্ঠা করা হয় এই মন্দির। এই ১০৯ তম মন্দিরটি প্রতিষ্ঠার সময় সেখানে লক্ষ সাধুর উপস্থিতি ঘটেছিল। তাঁদের পদধূলি রাজ পরিবার একটি সোনার কলসিতে সংরক্ষণ করে রেখেছিল।

আরও পড়ুন: মহাশিবরাত্রিতে উপবাসের বিধি কী কী? এই ব্রত পালনের রীতিই বা কী?

মন্দিরগুলির গঠন একই রকমের। ওড়িশার বালেশ্বরের মন্দিরের আটচালার নকশার আদলে নির্মিত সেগুলি। মন্দিরগুলির অবস্থান যেমন পাশাপাশি, তেমনই প্রতিটি মন্দিরের সামনেই আছে খোলা টানা বারান্দা। প্রতিটি মন্দিরই একটি দরজার। সব মন্দিরেই রয়েছে কষ্টি পাথরের গৌরীপট্ট-সহ শিবলিঙ্গ। প্রতিষ্ঠার সময়ে সবগুলি মন্দিরের সামনেই একটি করে বেল গাছ রোপন করা হয়েছিল।

মন্দিরের সামনে জলাশয় রয়েছে। মন্দির চত্বরে বেল গাছের আধিক্য চোখে পড়ার মতো। সারা বছরই মন্দিরে ভিড় থাকে ভক্তদের। তবে শিবরাত্রির জন্য এদিন অগণিত ভক্তের সমাগম হয়েছিল।

Published by:Debamoy Ghosh
First published:

পরবর্তী খবর