• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • বর্ধমানে করোনা আক্রান্ত এলাকায় ড্রোনে নজরদারি, কিন্তু যা ছবি ধরা পড়ল

বর্ধমানে করোনা আক্রান্ত এলাকায় ড্রোনে নজরদারি, কিন্তু যা ছবি ধরা পড়ল

পেশায় নার্স ওই মহিলা সোমবার রাতে করোনা আক্রান্ত হন। তার পর থেকেই ওই এলাকা সিল করে দেওয়া হয়েছে।

পেশায় নার্স ওই মহিলা সোমবার রাতে করোনা আক্রান্ত হন। তার পর থেকেই ওই এলাকা সিল করে দেওয়া হয়েছে।

পেশায় নার্স ওই মহিলা সোমবার রাতে করোনা আক্রান্ত হন। তার পর থেকেই ওই এলাকা সিল করে দেওয়া হয়েছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: সার দিয়ে বাড়িঘর। দোতলা, তিনতলা। ছাদের ওপর জলের ট্যাঙ্ক। সব শুনশান। রাস্তা জনমানবহীন। তারই মধ্যে কিছু এলাকায় মোতায়েন রয়েছে পুলিশ। আকাশ থেকে এমনই ছবি তুলে ধরল ড্রোন ক্যামেরা। বর্ধমানের সুভাষপল্লী এলাকায় ড্রোন উড়িয়ে নজরদারি চালালো পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। তাতেই ধরা পড়ল এই ছবি। একুশ দিন পুরোপুরি লকডাউন থাকবে ওই এলাকা।

বর্ধমান শহরের  সুভাষপল্লী এলাকায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এক মহিলা। পেশায় নার্স ওই মহিলা সোমবার রাতে করোনা আক্রান্ত হন। তার পর থেকেই ওই এলাকা সিল করে দেওয়া হয়েছে। এলাকায় ব্যারিকেড দিয়েছে পুলিশ।  সেই সঙ্গে এলাকার বাসিন্দাদের ঘর থেকে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে। সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ বাইরে আসছেন কিনা তা দেখতেই ড্রোন উড়িয়ে নজরদারি চলছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলার স্বামী সহ পরিবারের চার জনকে কোয়ারান্টিন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গাড়ির চালক সহ আরও পাঁচ জন কোয়ারেন্টিনে রয়েছে। তাদের সকলের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা হবে।

পূর্ব বর্ধমানের জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় জানান, করোনা আক্রান্তের হদিস মেলায় সুভাষপল্লী এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই এলাকায় বাসিন্দাদের বাইরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। বাইরে থেকেও কাউকে ওই এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। বাসিন্দাদের  ওষুধ বা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের প্রয়োজন পড়লে এলাকার পুলিশ কর্মীরা তা কিনে এনে দিচ্ছেন। সেই সঙ্গে দিনে দু তিন বার ড্রোন উড়িয়ে এলাকার ওপর নজর রাখা হচ্ছে। কোনওএলাকায় বাসিন্দারা জমায়েত করছেন  কিনা তা ওই ড্রোনের সাহায্যে দেখা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত সেভাবে কাউকে রাস্তায় বের হতে দেখা যায়নি।

জেলাশাসক বিজয় ভারতী বলেন, বর্ধমান শহরের সুভাষপল্লী ও তার আশপাশ এলাকায় দোকান খোলার ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। কন্টেনমেন্ট  জোনে কোনও দোকান খোলা যাবে না। বাফার জোনে শর্তসাপেক্ষে কিছু দোকান খুলবে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: