• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • করোনা আবহে বয়স্করা বাড়িতে বন্দী, মোবাইলে প্রতিমার ছবি তুলছেন বাড়ির লোক

করোনা আবহে বয়স্করা বাড়িতে বন্দী, মোবাইলে প্রতিমার ছবি তুলছেন বাড়ির লোক

পুজোর উদ্যোক্তারা বলছেন, ছোট মন্ডপ। তাই কিছুদিন আগেই বেশির ভাগ কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। তাই মন্ডপের গেট অযথা আটকে না রেখে দর্শকদের উদ্দেশ্যে খুলে দেওয়া হয়েছে।

পুজোর উদ্যোক্তারা বলছেন, ছোট মন্ডপ। তাই কিছুদিন আগেই বেশির ভাগ কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। তাই মন্ডপের গেট অযথা আটকে না রেখে দর্শকদের উদ্দেশ্যে খুলে দেওয়া হয়েছে।

পুজোর উদ্যোক্তারা বলছেন, ছোট মন্ডপ। তাই কিছুদিন আগেই বেশির ভাগ কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। তাই মন্ডপের গেট অযথা আটকে না রেখে দর্শকদের উদ্দেশ্যে খুলে দেওয়া হয়েছে।

  • Share this:

#বর্ধমান:  শুরু হয়ে গেছে মণ্ডপে ঘোরা, প্রতিমা দর্শন। ভিড় কম থাকায় মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরছেন অনেকেই। মোবাইল ক্যামেরায় সেইসব মণ্ডপ,প্রতিমার ছবি তুলছেন তাঁরা। করোনা আহে বাড়ির বয়স্করা এবার ঠাকুর দেখতে বেরোবে না। তাদের জন্যই মোবাইলের ছবি তোলার ব্যস্ততা বলে জানালেন অনেকেই।

করোনা পরিস্থিতিতে এবার যেন সবই অন্যরকম। আর্থিক মন্দার কারণে স্পনসর নেই। ফলে মন্ডপ, প্রতিমা,আলোকসজ্জার বাজেট এক ধাক্কায় অনেকটাই কমাতে বাধ্য হয়েছে বড় পুজো কমিটিগুলি। তারই মধ্যে করোনা বিধি মেনে পুজো দেখাতে প্রস্তুত বেশ কয়েকটি বারোয়ারি পূজা কমিটি। অন্যান্যবার চতুর্থী,পঞ্চমীর আগে মন্ডপ দর্শকদের জন্য খুলে দিতে পারে না অনেক পুজো কমিটি। এবার আবার প্রতিপদ থেকেই কিছু কিছু জায়গায় মন্ডপ প্রতিমা দেখার জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এবার করোনা সংক্রমনের আশংকায় পুজোর দিনগুলিতে বাইরে বেড়াতে যাওয়া স্থগিত রেখেছেন অনেকেই।

পুজোর দিনগুলিতে ভিড় এড়াতে গুটি গুটি পায়ে মণ্ডপে পৌঁছে যাচ্ছেন বর্ধমানের বাসিন্দাদের অনেকেই। মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন। তাঁরা জানালেন, বাড়ির বয়স্ক বা ছোটদের ঠাকুর দেখতে নিয়ে আসা মানেই এবার করোনা সংক্রমণের আশংকাকে সঙ্গী করে ঘরে ফেরা। তাই তাদের জন্য মণ্ডপের প্রতিমার ছবি তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এবার হয়তো সেই ছবি দেখেই তৃপ্ত থাকতে হবে তাদের।

পুজোর উদ্যোক্তারা বলছেন, ছোট মন্ডপ। তাই কিছুদিন আগেই বেশির ভাগ কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। তাই মন্ডপের গেট অযথা আটকে না রেখে দর্শকদের উদ্দেশ্যে খুলে দেওয়া হয়েছে। তাতে পুজোর চার দিনের ভিড় কিছুটা হলেও কমবে বলে আমরা আশা করছি। তবে মাস্ক ছাড়া কাউকেই মণ্ডপে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। স্যানিটাইজার টানেলের ভেতর দিয়ে সবাইকে প্রবেশ করতে হচ্ছে। ভেতরেও যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকে তা নিশ্চিত করার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। সব মিলিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পুজোর দেখাতে প্রস্তুত উদ্যোক্তারা।

Saradindu Ghosh

Published by:Debalina Datta
First published: